হোম লাভ - লোকসান অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ পাঠিয়েছে গ্রামীণফোন

অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ পাঠিয়েছে গ্রামীণফোন


Warning: date() expects parameter 2 to be long, string given in /home/sharebiz/public_html/wp-content/themes/Newsmag/includes/wp_booster/td_module_single_base.php on line 290

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৭ সালের সমাপ্ত হিসাববছরের ঘোষিত অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ পাঠিয়েছে টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি ঘোষিত অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার নেটওয়ার্কের (বিইএফটিএস) ও অনলাইনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়েছে কোম্পানিটি।

চলতি হিসাববছরের প্রথম ছয় মাসের (জানুয়ারি-জুন ’১৭) মুনাফার ওপর ভিত্তি করে ১০৫ শতাংশ নগদ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে গ্রামীণফোন লিমিটেড কর-পরবর্তী যে মুনাফা করেছে, তার ৯৮ শতাংশই লভ্যাংশ হিসেবে দিয়েছে।

‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১৭৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৬ টাকা ৬৮ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ২৪ টাকা ৮৬ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী আয় করেছে দুই হাজার ২৫২ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

গতকাল কোম্পানির শেয়ারদর দুই দশমিক শূন্য চার শতাংশ বা আট টাকা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৪০০ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩৯৭ টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৩৯৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৪০৩ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। ওইদিন দুই লাখ ৮৭ হাজার শেয়ার এক হাজার ২৫৪ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ১১ কোটি ৪৬ লাখ ৮১ হাজার টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর ২৬০ টাকা থেকে ৪০৩ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে হাতবদল হয়।

কোম্পানির চার হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৩৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ২২২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২০১৫ সালের সমাপ্ত হিসাববছরে ১৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। এ সময় ইপিএস ছিল ১৪ টাকা ৫৯ পয়সা এবং এনএভি ২২ টাকা ৬৮ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল এক হাজার ৯৭০ কোটি ৬৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইপিএস হয়েছে চার টাকা ৮৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল চার টাকা ১৫ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ৭১ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত এনএভি ২৯ টাকা ৭২ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল ২৬ টাকা ৮৩ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৬৫৫ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে পাঁচ টাকা ৮৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল তিন টাকা ৭৭ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে দুই টাকা ১০ পয়সা। দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ ৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত সমাপ্ত ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ১০ টাকা ৭২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল সাত টাকা ৯২ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ২৬ টাকা ৬৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ২৪ টাকা ৭৪ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৭৯২ কোটি ৪৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারমূল্য আয় (পিই) অনুপাতে ২৩ দশমিক আট এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১৮ দশমিক ৫২।

কোম্পানিটির মোট ১৩৫ কোটি তিন লাখ ২২টি শেয়ার রয়েছে।