অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্তরায় মানি লন্ডারিং

রিয়াজুল হক: মানি লন্ডারিং আর্থিক খাতের সবচেয়ে বড় অপরাধ। অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম অন্তরায়। আমাদের দেশে মানি লন্ডারিংয়ের প্রকৃত পরিমাণ কত, সেই হিসাব কারও কাছে নেই। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, ‘মানি লন্ডারিং’ অর্থ (অ) নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত সম্পত্তি জ্ঞাতসারে স্থানান্তর বা রূপান্তর বা হস্তান্তর : (১) অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ প্রকৃতি, উৎস, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ গোপন বা ছদ্মাবৃত্ত করা; অথবা (২) সম্পৃক্ত অপরাধ (দুর্নীতি ও ঘুষ; মুদ্রা জালকরণ; দলিল দস্তাবেজ জালকরণ; চাঁদাবাজি, প্রতারণা, জালিয়াতি, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা, অবৈধ মাদক ও নেশা জাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা; চোরাই ও অন্যান্য দ্রব্যের অবৈধ ব্যবসা; অপহরণ, অবৈধভাবে আটকাইয়া রাখা ও পণবন্দি করা; খুন, মারাত্মক শারীরিক ক্ষতি; নারী ও শিশু পাচার; চোরাকারবার; দেশি ও বিদেশি মুদ্রা পাচার; চুরি বা ডাকাতি বা দস্যুতা বা জলদস্যুতা বা বিমান দস্যুতা; যৌতুক, চোরাচালানি ও শুল্ক-সংক্রান্ত অপরাধ; কর-সংক্রান্ত অপরাধ; মেধাস্বত্ব লংঘন, সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থ জোগান; ভেজাল বা স্বত্ব লঙ্ঘন করে পণ্য উৎপাদন; পরিবেশগত অপরাধ, সংঘবদ্ধ অপরাধ বা সংঘবদ্ধ অপরাধী দলে অংশগ্রহণ; ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ আদায় এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক সরকারের অনুমোদনক্রমে গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঘোষিত অন্য যে কোনো সম্পৃক্ত অপরাধ) সংগঠনে জড়িত কোনো ব্যক্তিকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ হইতে রক্ষার উদ্দেশ্যে সহায়তা করা; (আ) বৈধ বা অবৈধ উপায়ে
অর্জিত অর্থ বা সম্পত্তি নিয়মবহির্ভূতভাবে বিদেশে পাচার করা; (ই) জ্ঞাতসারে অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করিবার উদ্দেশ্যে উহার হস্তান্তর, বিদেশে প্রেরণ বা বিদেশ হইতে বাংলাদেশে প্রেরণ বা আনয়ন করা; (ঈ) কোনো আর্থিক লেনদেন এইরূপভাবে সম্পন্ন করা বা সম্পন্ন করিবার চেষ্টা করা
যাহাতে এই আইনের অধীন উহা রিপোর্ট করিবার প্রয়োজন হইবে না; (উ) সম্পৃক্ত অপরাধ সংঘটনে প্ররোচিত করা বা সহায়তা করিবার অভিপ্রায়ে কোনো বৈধ বা অবৈধ সম্পত্তির রূপান্তর বা স্থানান্তর বা হস্তান্তর করা; (ঊ) সম্পৃক্ত অপরাধ হইতে অর্জিত জানা সত্ত্বেও এই ধরনের সম্পত্তি গ্রহণ, দখলে নেওয়া বা ভোগ করা; (ঋ) এইরূপ কোনো কার্য করা যাহার দ্বারা অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করা হয়; (এ) উপরে বর্ণিত যে কোনো অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ, সম্পৃক্ত থাকা, অপরাধ সংঘটনে ষড়যন্ত্র করা, সংঘটনের প্রচেষ্টা অথবা সহায়তা করা, প্ররোচিত করা বা পরামর্শ প্রদান করা।
বিভিন্ন সূত্র মতে, আমাদের দেশে বৈধ বিদেশি সাড়ে ১৬ হাজার আর অবৈধ ১২ লাখের বেশি। এরা অনুমতি ছাড়াই বছরের পর বছর বাংলাদেশে অবস্থান করছে। অপরাধে জড়ানোর পাশাপাশি তারা অবৈধভাবে আয় করে সে অর্থ পাঠাচ্ছে স্বদেশে। ফাঁকি দিচ্ছে কর। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) দেওয়া তথ্য মতে, ২০০৪ থেকে ২০১৩ এক দশকে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার হয়েছে পাঁচ হাজার ৫৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। দুদকের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, গড়ে প্রতি বছর অর্থ পাচার হয়েছে প্রায় ৫৮৯ কোটি মার্কিন ডলার। এর একটি অংশ সুইজারল্যান্ডে জমা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। এরূপ অর্থ পাচার দুর্নীতিকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে মানি লন্ডারিং। ফলে এর প্রতিরোধ জরুরি হয়ে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক ব্যবসায় চালানের গরমিলের মাধ্যমে যখন অর্থ পাচার করা হয় তাকে মিসইনভয়েসিং বলে। এতে করে পণ্যের প্রকৃত মূল্য গোপন করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়, একই সঙ্গে বিরাট অঙ্কের টাকা বিদেশে পাচার করা হয়ে থাকে। মিসইনভয়েসিং দুই ধরনের হয়ে থাকে। পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে আন্ডার ইনভয়েসিং (কম মূল্য দেখানো) ও আমদানির ক্ষেত্রে ওভার ইনভয়েসিংয়ের (বেশি মূল্য দেখানো)। প্রকার যাই হোক, উদ্দেশ্য হলো অর্থ পাচার।
মিসইনভয়েসিংয়ের আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও একটা মহামারি আকার ধারণ করে চলেছে। এর ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলো বিপুল অঙ্কের কর রাজস্ব হারাচ্ছে। তথ্য মতে, মিসইনভয়েসিংয়ের কারণে কোনো কোনো দেশ ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত রফতানি আয় থেকে বঞ্চিত হয়। ২০০০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে স্বর্ণ রফতানির ক্ষেত্রে আন্ডার-ইনভয়েসিংয়ের মোট পরিমাণ ছিল সাত হাজার ৮২০ কোটি ডলার, যা মোট স্বর্ণ রফতানির ৬৭ শতাংশ। ১৯৯৬-২০১৪ সময়ে নাইজেরিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তেল রফতানির ক্ষেত্রে আন্ডার-ইনভয়েসিংয়ের পরিমাণ ছিল ছয় হাজার ৯৮০ কোটি ডলার, যা যুক্তরাষ্ট্রে মোট তেল রফতানির ২৪ দশমিক ৯ শতাংশের সমপরিমাণ।
জাম্বিয়ার সরকারি নথিপত্রে ১৯৯৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সে দেশ থেকে সুইজারল্যান্ডে দুই হাজার ৮৯০ কোটি ডলারের তামা রফতানির উল্লেখ রয়েছে। তবে সুইজারল্যান্ডের কোনো নথিতে এর উল্লেখ নেই। ১৯৯০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে চিলির সরকারি নথিপত্রে নেদারল্যান্ডসে এক হাজার ৬০০ কোটি ডলারের তামা রফতানির কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে নেদারল্যান্ডসের কোনো নথিতে এসব তামা আমদানির কথা উল্লেখ নেই। ১৯৯৫-২০১৪ সময়ে আইভরিকোস্টের নথিতে নেদারল্যান্ডসে এক হাজার ৭২০ কোটি ডলার মূল্যের কোকো রফতানির তথ্য দেখা গেছে। কিন্তু আইভরিকোস্টের এ রফতানির ৩১ শতাংশ নেদারল্যান্ডসের আমদানি নথিপত্রে অনুপস্থিত।
গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) তথ্য মতে, ২০০৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে প্রায় সাত হাজার ৫৮৫ কোটি ডলার বা ছয় লাখ ছয় হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা। ২০১৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ৯১১ কোটি ডলার বা প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকার বেশি পাচার হয়েছে। দেশের মোট আমদানির এক থেকে চার শতাংশ বেশি এবং তিন থেকে ১১ শতাংশ কম মূল্য দেখিয়েই মূলত টাকা পাচার হচ্ছে। এছাড়া মোট রফতানির এক শতাংশ বেশি এবং ছয় থেকে আট শতাংশ কম মূল্য দেখিয়েও টাকা পাচার হয়। অর্থাৎ দেশের অভ্যন্তরে টাকা প্রবাহের চার থেকে ১২ শতাংশ ও বাইরের সাত থেকে ১২ শতাংশই টাকা পাচার হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মতে, প্রবাসীরা বিদেশ থেকে দেশে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠান তার ৪০ শতাংশ আসে ব্যাংকিং চ্যানেলে। বাকি ৬০ শতাংশের মধ্যে ৩০ শতাংশ আসে সরাসরি প্রবাসী বা তাদের আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে নগদ আকারে। আর বাকি ৩০ শতাংশ আসে হুন্ডির মাধ্যমে। বিমানবন্দরে যে পরিমাণ হুন্ডির টাকা জব্দ করা হয় তা মোট পাচারকৃত অর্থের পাঁচ শতাংশ মাত্র। বাকি ৯৫ শতাংশ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে নিরাপদে পাচার হয়ে যায়। স্থলবন্দরগুলোতেও চলে হুন্ডির ব্যবসা। কোনো প্রকার বাধা-বিঘœ ছাড়াই চলছে লোকজনের যাওয়া-আসা এবং হুন্ডির মাধ্যমে চলছে পণ্য আমদানি। এতে হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে।
দেশের উন্নয়নের গতিধারাকে ধরে রাখার জন্য মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ প্রয়োজন। সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ ইতোমধ্যেই নিয়েছে। যে কারণে মানি লন্ডারিং, সন্ত্রাস ও জঙ্গি অর্থায়ন প্রতিরোধে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় যাওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্র্রতি যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এপিজির বার্ষিক সম্মেলনের তৃতীয় পর্বের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪১টি দেশ এপিজি’-এর সদস্য। এপিজি প্রতিনিধি দল সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মানি লন্ডারিং প্রতিরোধবিষয়ক কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন করে থাকে। প্রতিবেদনে উল্লিখিত ১১টি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে তিনটিতে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে। শুধু তাই নয়, মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশ নরওয়ে থেকে ভালো অবস্থানে। এটা অবশ্যই ভালো খবর। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনেক উন্নত দেশ থেকেও ভালো অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। এতে সন্ত্রাস, সন্ত্রাসে অর্থায়ন, জঙ্গিবাদ, মুদ্রা পাচারসহ অন্য অপরাধ নির্মূলে বাংলাদেশের অবস্থান আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হয়েছে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর ২২ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করে। কিন্তু তাদের মধ্যে কাজ পান মাত্র সাত লাখ মানুষ। এই যখন বাংলাদেশের সামগ্রিক কর্মসংস্থানের চিত্র, তখন বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে কাজ করে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করছে বিদেশি অবৈধ বসবাসকারীরা। এছাড়া সব সম্পৃক্ত অপরাধ দূর করতে হবে। সময় এখন সঠিক পদক্ষেপের। আমাদের এই ছোট এবং জনবহুল দেশের টাকা যেন কোনোভাবেই বিদেশে পাচার না হতে পারে এবং সম্পৃক্ত অপরাধ ন্যূনতম পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজন আইনের সঠিক প্রয়োগ।
মানি লন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে বলা হয়েছে (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানি লন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। (২) কোনো ব্যক্তি মানি লন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানি লন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন চার বৎসর এবং অনধিক বার বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুণ মূল্যের সমপরিমাণ বা দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন [তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।] (৩) আদালত কোনো অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানি লন্ডারিং বা কোনো সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। (৪) কোনো সত্তা এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭-এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২)-এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা বিশ লাখ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদণ্ড প্রদান করা যাইবে এবং ওই প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে। তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।] (৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানি লন্ডারিংয়ের কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
অভ্যন্তরীণ এবং বিদেশি সব বাধা অতিক্রম করে দেশ একের পর এক সাফল্যের চূড়া স্পর্শ করায় অনেকের কাছে অনুকরণীয় দেশ এখন বাংলাদেশ। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে সরকারের সাফল্য সবার জন্য ঈর্ষণীয়। উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন অন্যতম লক্ষ্য। আর এজন্যই প্রয়োজন দেশে বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি করা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ করা। কারণ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের মধ্যেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রবৃদ্ধি নিহিত রয়েছে।

উপপরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক
[email protected]