আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় বিএনও লুব্রিক্যান্টস

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: লুব্রিক্যান্টস শিল্পে উদ্ভাবনীমুখী প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও এ শিল্প খাতের ক্রমবিকাশের অংশ হিসেবে লুব-রেফ (বাংলাদেশ) লিমিটেড ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা-২০১৮তে অংশ নিয়েছে। মেলায় প্রিমিয়াম মিনি প্যাভেলিয়ন-১৭-এ লুব ব্ল্যান্ডিং প্লান্ট (এলবিপি) কোম্পানিটির উৎপাদিত লুব্রিকেটিংসামগ্রী বিএনও ব্র্যান্ডে নানান পণ্য।

সোমবার মেলার উদ্বোধনী দিনে বিএনও লুব্রিকেন্টসের আকর্ষণীয় স্টলটি দর্শনার্থীর মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। ডিলার ও খুচরা লুব্রিক্যান্টস বিক্রেতাদের জন্য মেলা উপলক্ষে বিশেষ ছাড় রয়েছে ও নতুন ডিলারশিপ নিয়োগের বিশেষ সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি মেলায় আগত ক্রেতাদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় বিশেষ অফার। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে দেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য লুব্রিক্যান্টস প্রস্তুতকারক ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এরই মধ্যে ভোক্তাদের আস্থা অর্জন করেছে।

সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বার্ষিক ১২ হাজার ৫৫০ টন সক্ষমতার ব্ল্যান্ডিং প্লান্ট দেশের মোট চাহিদার পাঁচ শতাংশ পূরণ করছে লুব-রেফ। এর মধ্যে আছে ৩৫ ধরনের লুব্রিক্যান্টস সামগ্রী। এসব পণ্যের সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার জন্য আছে অত্যাধুনিক অ্যাক্রিডিয়েটেড ল্যাবরেটরি। এটি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের টেকনিক্যাল স্বীকৃতি পেয়েছে। নিজেদের পণ্যের সেরা মান নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশের সবচেয়ে আধুনিক টেস্টিং ল্যাবে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও টেস্টিং সেবা নিশ্চিত করছে প্রতিষ্ঠানটি।

ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক গতিশীলতার সঙ্গে দেশে বাড়ছে লুব্রিক্যান্টের চাহিদাও। আগামীতে এ চাহিদা আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। এ চাহিদার বিপরীতে ব্র্যান্ডটিকে একটি শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য সম্প্রসারণ ও সহায়ক বেশ কিছু প্রকল্প শুরু হয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় লুব্রিক্যান্টস বাজারের প্রায় পাঁচ শতাংশ বিএনও ব্র্যান্ডের দখলে আছে। এ বর্ধিত সক্ষমতা ও বিপণন প্রচেষ্টা সফল হলে এ হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব। আর এ জন্য তারা পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে লুব-রেফ (বাংলাদেশ) লিমিটেড আইপিও থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মোহাম্মদ ইউসুফের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পেট্রোকেমিক্যাল ও লুব্রিক্যান্টস শিল্পে রয়েছে চার দশকের বাস্তব অভিজ্ঞতা। আর প্রতিযোগিতামূলক দামে দেশে অটোমোটিভ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও মেরিন লুব্রিক্যান্টস বিক্রি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এছাড়া সম্প্রসারণ প্রক্রিয়া শেষ হলে দেশের লুব্রিক্যান্টস ইন্ডাস্ট্রিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ হবে। এতে শিল্পের সুরক্ষা ও প্রযুক্তি হস্তান্তর, মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে অনেক প্রযুক্তিবিদ তৈরি হবে। আর দেশের সীমানা পেরিয়ে বহির্বিশ্বে রফতানির প্রচেষ্টা এগিয়ে নেবে লুব-রেফ।