আবু হুরাইরাশিক্ষা-গবেষণায় চিটাগং চেম্বার ও চবি’র সমঝোতা স্মারক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও দি চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে শিক্ষা-গবেষণা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানসহ শিল্প-কারখানার সঙ্গে যোগাযোগ বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। গত ২৫ নভেম্বর চবি উপাচার্যের দফতরে চুক্তিটি সম্পাদিত হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী ও দি চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পক্ষে প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে চবি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সফিউল আলম, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মহিবুল আজিজ, আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম ও অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য, আইসিটি পরিচালক প্রফেসর ড. মো. হানিফ সিদ্দিকী, আরবি বিভাগের প্রফেসর ড.
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কেএম নূর আহমদ ও চিটাগং চেম্বারের সেক্রেটারি ইনচার্জ ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
উপাচার্য বলেন, এ চুক্তিটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে চিটাগং চেম্বারের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন আয়োজন: যেমন সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কনফারেন্স, আলোচনা ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার গুণগত পরিবর্তনে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় ব্যবহারিক জ্ঞানার্জনের সুযোগ পাবেন। তাদের লব্ধ অভিজ্ঞতার আলোকে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এ সময় তিনি চিটাগং চেম্বার প্রেসিডেন্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র মাহবুবুল আলমের শিক্ষা-সমাজ উন্নয়ন ও দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকার প্রশংসা করেন।
চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর মেধা, দূরদর্শিতা ও গতিশীল নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পর্যায়ে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। তিনি সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিভিন্ন গবেষণাকর্ম পরিচালনা, সভা-সেমিনারের আয়োজন, বাস্তবমুখী ও যুগোপযোগী পাঠ্যসূচি প্রণয়নের মাধ্যমে এ শিক্ষার
মানকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সমস্যা এবং সম্ভাবনার বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সেতুবন্ধন সূচিত হয়েছে। ফলে এ অঞ্চলসহ দেশের টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ও গুণগত শিক্ষা তথা কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে ভিশন-২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে সহায়ক হবে। চেম্বার সভাপতি শুধু চুক্তি স্বাক্ষরে সীমাবদ্ধ না থেকে নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে এ সম্পর্ককে প্রকৃত অর্থে কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।