আরো ৬ রোহিঙ্গা নারী ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার

টেকনাফে রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারডুবির ঘটনায় চার শিশুসহ ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার ভোর ও সকালে টেকনাফের নাফ নদীর নাজির পাড়া ও শাহপরীর দ্বীপ এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

টেকনাফ থানার ওসি মো. মাইন উদ্দিন খান জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। এরমধ্যে টেকনাফের নাজিরপাড়া থেকে দুই নারী ও শাহপরীর দ্বীপ থেকে চার শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নৌকাডুবিতে এসব রোহিঙ্গা মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে মঙ্গলবার ভোরে মিয়ানমারের ওপার থেকে অর্ধশতাধিক রোহিঙ্গা ভর্তি করে একটি  ট্রলার বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায়। ট্রলারটি নাফ নদীর মোহনায় পৌঁছলে অপর একটি ট্রলারের ধাক্কায় রোহিঙ্গা বোঝাই এ ট্রলারটি ডুবে যায়।

পরে নদী সাঁতরে তীরে আসে রোহিঙ্গারা জানান, ট্রলারে থাকা অন্তত ৩০ জন রোহিঙ্গা নারী পুরুষরা নিখোঁজ রয়েছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহবুবুর রহমান জানান, ৪০/ ৫০ জন রোহিঙ্গা বোঝাই একটি ট্রলার নাফ নদী হয়ে এপারে ঢুকছিল। এসময় স্থানীয় আব্দুল্লাহ’র মালিকানাধীন একটি ট্রলারে সঙ্গে ধাক্কা লেগে রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারটি ডুবে যায়। ডুবে ট্রলারটি সাবারাং ইউনিয়নের জাইল্লাপাড়ার বলেও জানান তিনি।

২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে দলে দলে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে। স্থল ও জল সীমান্ত পথে হাজার হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। টেক নাফ সীমান্তের অপর দিকে মিয়ানমার এলাকা থেকে নৌকায় পালিয়ে আসার সময় নাফ নদীতে একাধিক নৌকাডুবির ঘটনাও ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।