প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

আর্থিক খাতে এক লাফে ১০ শতাংশ লেনদেন বৃদ্ধি

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল শেয়ার কেনাবেচার ব্যবধান তুলনামূলক কম ছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৩৮ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। কমেছে ৪৮ শতাংশের দর। সূচক পতনের হার খুব সামান্য ছিল। অধিকাংশ খাতেই দরপতনের হার বেশি ছিল। তবে গতকাল এক লাফে ১০ শতাংশ বেড়ে লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে আর্থিক খাত। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত থাকা আর্থিক খাতের গতি হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে গতকাল। একই সঙ্গে বিমা কোম্পানির শেয়ারদরও ইতিবাচক ছিল। তবে বাকি খাতগুলোতে দরপতনের আধিক্য লক্ষ্য করা গেছে।
১৬ শতাংশ লেনদেন হয়ে ব্যাংক খাত শীর্ষে উঠে এলেও এ খাতে মাত্র ৪০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের সাড়ে ১৪ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে দুই টাকা ১০ পয়সা। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৫ শতাংশ। এ খাতে ৩১ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। রানার অটোমোবাইলের সাড়ে ১৩ কোটি টাকা লেনদেন হলেও আট টাকা ৪০ পয়সা দরপতন হয়। ইস্টার্ন কেব্লসের পৌনে ৯ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ৯ টাকা ৮০ পয়সা। আর্থিক খাতে আগেরদিন মাত্র তিন শতাংশ লেনদেন হলেও গতকাল তা ১৩ শতাংশে উঠে আসে। এর মধ্যে প্রাইম ফাইন্যান্সের এককভাবে ২২ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে কোম্পানিটি। দর বেড়েছে ৪০ পয়সা। জেড ক্যাটেগরির কোম্পানিটির হঠাৎ লেনদেন বাড়ার কারণ জানা যায়নি। তবে সম্প্রতি কোম্পানিটির তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে চার পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ৫১ পয়সা লোকসানে ছিল। অর্থাৎ লোকসান কাটিয়ে উঠেছে কোম্পানিটি। এ খাতে ৭৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে আর্থিক খাতের প্রিমিয়ার লিজিং দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। এছাড়া মাইডাস ফাইন্যান্স, ফাস ফাইন্যান্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। এরপর বিমা খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৭৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স। এছাড়া প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৪০ পয়সা। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতে ৪৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ইউনাইটেড পাওয়ারের সাড়ে ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে দুই টাকা। ডরিন পাওয়ারের সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় এক টাকা ২০ পয়সা। গ্রামীণফোনের ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর কমেছে চার টাকা ৮০ পয়সা। ফরচুন শুজের সাড়ে সাত কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় ৯০ পয়সা।

 

ট্যাগ »

সর্বশেষ..