সুস্বাস্থ্য

আর নয় ভেজাল খাদ্য

‘মরতে নয়, সুস্থ জীবনের জন্য চাই বিশুদ্ধ খাবার’ এ স্লোগানকে ধারণ করে সম্প্রতি জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটকের সামনে থেকে শোভাযাত্রা বের করে বিশুদ্ধ খাদ্য চাই উবসধহফ ভড়ৎ চঁৎব ঋড়ড়ফ এর সদস্যগণ। শোভাযাত্রাটি প্রধান সড়কের হোটেলগুলোর সামনে দিয়ে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড সুপার মার্কেট সংলগ্ন কাঁচাবাজার প্রদক্ষিণ করে স্মৃতিসৌধের সামনে এসে শেষ হয়।
খাদ্য মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার। তবে বিষাক্ত খাদ্য নীরব ঘাতক। এখনই প্রয়োজন সর্বস্তরের জনসচেতনতা। বিশুদ্ধ খাদ্য চাই সংগঠনের উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসএমএমইউর ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান এসব কথা বলেন।
৩১ মে সংগঠনের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার পাশাপাশি সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীগণ ফলমূল বিক্রেতা, হোটেল ব্যবসায়ী, শাকসবজি ও মাছ-মাংস বিক্রেতা, রাস্তার পাশের খোলা খাবার বিক্রেতাদের মাঝে ভেজাল খাদ্য চেনার সহজ উপায় সংবলিত লিফলেট বিতরণ করেন। ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
গণবিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেনসহ গণবিশ্ববিদ্যালয় ও গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজের প্রায় ২০০ ছাত্র-শিক্ষক এতে অংশ নেন। বায়োকেমিস্ট, ফার্মাসিস্ট ও ডাক্তারসহ স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ খাদ্য আন্দোলনের উদ্যোগ নেওয়ায় অতি দ্রুত সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণ হবে বলে আশাবাদী আয়োজকরা।
শিগগিরই সারা দেশে বিশুদ্ধ খাদ্য চাই সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান এর আহ্বায়ক গণবিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাকিল মাহমুদ। তিনি আরও বলেন, বিনামূল্যে খাদ্যবিক্রেতা বা খাদ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের নিরাপদভাবে খাদ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও পরিবেশনবিষয়ক ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।
সংগঠনের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব বায়োকেমিস্ট ড. মো. ফুয়াদ হোসেন বলেন, সংগঠনের চলার শুরু থেকেই আমরা জনপ্রতিনিধিসহ অনেকে সাড়া পাচ্ছি। বিভিন্ন মহল থেকে আমাদের সাধুবাদ জানানো হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, দেশের সুনাগরিক হিসেবে আমরা সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাব।

মোহাম্মদ রনি খাঁ

সর্বশেষ..