আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের লেনদেন চালু আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের (সিএমসি কামাল) শেয়ার লেনদেন চালু হবে আজ থেকে। রাইট শেয়ারসংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের কারণে গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ ছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি ১:১ হারে অর্থাৎ বিদ্যমান একটি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট ছাড়ার অনুমোদন পেয়েছে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১০ কোটি ৯৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৯৫টি শেয়ার ছেড়ে ১০৯ কোটি ৩৯ লাখ ৬৮ হাজার ৯৫০ টাকা সংগ্রহ করবে। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি বিএমআরই ও সক্ষমতা বাড়ানোর শর্ত পরিপালন করবে। আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ আবেদন গ্রহণ করা হবে।

রাইট শেয়ার ডকুমেন্ট অনুযায়ী, ৩১ মার্চ ২০১৭ অনুসারে, কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৮ দশমিক ৪৩ টাকা। আর ১ জুলাই ২০১৬ থেকে ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে এক দশমিক ৩১ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে রয়েছে সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।

এর আগে ৬২০তম কমিশন সভায় আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিকে রাইট শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৯২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৯ টাকা দুই পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ২১ কোটি পাঁচ লাখ ২০ হাজার টাকা।

চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৪৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৭ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে আট পয়সা। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১৯ টাকা ৪৫ পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ছিল ১৯ টাকা দুই পয়সা।

কোম্পানিটি ১৯৯৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০৯ কোটি ৩৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৭১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

কোম্পানির মোট ১০ কোটি ৯৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৯৫টি শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে ৩১ দশমিক ৩৫ শতাংশ উদ্যোক্তা ও পরিচালক, ১১ দশমিক ৭১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক ও ৫৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।

৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত ১৮ মাসের জন্য ১৩ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। এ সময়ে ইপিএস হয়েছে দুই টাকা পাঁচ পয়সা এবং এনএভি ১৯ টাকা ৩৪ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ১৯ কোটি ৮২ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত ১০ দশমিক ৮৯ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১১ দশমিক ৬১।