কোম্পানি সংবাদ

ইপিসিএলের সঙ্গে বিপিডিবি’র বিদ্যুৎ সরবরাহ চুক্তির মেয়াদ শেষ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বস্ত্র খাতের কোম্পানি শাশা ডেনিমস লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এনারজিস পাওয়ার করপোরেশন লিমিটেডের (ইপিসিএল) বিদ্যুৎ উৎপাদন আজ থেকে বন্ধ থাকবে। ২০১৪ সালে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে ইপিসিএল ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য এক চুক্তি করে এবং ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ থেকে কোম্পানিটির বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ইপিসিএল ৩০ আগস্ট, ২০১৮ আবার চুক্তির মেয়াদ দুই বছর বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী (আইপিপি) হিসেবে তাদেরকে রূপান্তরের জন্য আবেদন করেছে। অনুমোদন পাওয়ার পর সে অনুযায়ী কোম্পানিটি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। উল্লেখ্য, এনারজিস পাওয়ার করপোরেশন লিমিটেডের (ইপিসিএল) ৯৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ শেয়ার শাশা ডেনিমস লিমিটেড ধারণ করছে।
এদিকে গতকাল এ কোম্পানির শেয়ারদর দুই দশমিক দুই শতাংশ বা ৯০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৪৩ টাকা ৬০ পয়সায় হাতবদল হয়, সর্বশেষ দর হয় ৪৩ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে এক লাখ ৫২ হাজার ২০৭টি শেয়ার ২৩৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৬৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৪৩ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৪৪ টাকা ৫০ পয়সায় ওঠানামা করে। গত এক বছরে শেয়ারদর ৩৮ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮০ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে।
৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ ও সাত শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা তার আগের বছরে ছিল ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ছয় শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল চার টাকা ৬৪ পয়সা ও এনএভি ৪৯ টাকা ৬৯ পয়সা। এটি তার আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে পাঁচ টাকা ২৩ পয়সা ও ৪৭ টাকা ৩৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি মোট মুনাফা করে ৫৫ কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা তার আগের বছর একই সময় ছিল ৫৯ কোটি এক লাখ ৯০ হাজার টাকা।
কোম্পানিটি ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ২২৫ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১২৭ কোটি ৯২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির ১২ কোটি ৭৯ লাখ ২৩ হাজার ৭২৯টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকের কাছে রয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ১৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে তিন দশমিক ১৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৪১ দশমিক ৫৭ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৯ দশমিক ৪২ ও হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে আট দশমিক ৭২।

 

সর্বশেষ..