ইস্টার্ন হাউজিং ও আরগন ডেনিমসের রেকর্ড ডেট আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড ও আরগন ডেনিমস লিমিটেডের রেকর্ড ডেট আজ। এ কারণে কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ইস্টার্ন হাউজিং: ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরে ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে তিন টাকা ৪৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৬০ টাকা ১৫ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৮ নভেম্বর রাওয়া কনভেনশন হল, ভিআইপি রোড, মহাখালি, ঢাকায় সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল ডিএসইতে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারদর দশমিক ৩৯ শতাংশ বা ২০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৫১ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৫০ টাকা ৯০ পয়সা। ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকার বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৯৩ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে আছে ৪৫৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
কোম্পানির ৯ কোটি ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৫৩টি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৫০ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ৩০ দশমিক ৭১ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ১৯ দশমিক ২০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
আরগন ডেনিমস: ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে তিন টাকা ১৮ পয়সা এবং এনএভি দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৫৬ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ৩০ অক্টোবর এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল শেয়ারদর দশমিক ৭২ শতাংশ বা ২০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ২৭ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ২৭ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে তিন লাখ ৪২ হাজার ২২০টি শেয়ার ৩১১ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৯৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনিম্ন ২৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৮ টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ২৪ টাকা থেকে ৩৫ টাকা ৬০ পয়সায় ওঠানামা করে।
কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১১৯ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে আছে ১০১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। কোম্পানির ১১ কোটি ৯৯ লাখ ৭৭ হাজার ২০০টি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩৭ দশমিক ১৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ৩০ দশমিক ৫২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ৩২ দশমিক ৩৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।