প্রচ্ছদ শেষ পাতা

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্সে উল্লম্ফন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বেশি করে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এতে করে অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রায় ১৬০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। সরকার ঘোষিত দুই শতাংশ প্রণোদনা পাওয়া গেলে আরও বেশি রেমিট্যান্স আসতো বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৫৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এছাড়া চলতি আগস্ট মাসের ১ থেকে ৩ তারিখ পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে সাত কোটি ৬৮ লাখ ডলার।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, বিদায়ী জুলাই মাসে আসা রেমিট্যান্স এ যাবৎ কালে আসা রেমিট্যান্সের মধ্যে একক মাস হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। এর আগে গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মে মাসে ১৭৪ কোটি ৮১ লাখ ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।
ওই অর্থবছরের পুরো সময়জুড়ে দেশে এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে আসে। যা ছিল এর আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। তবে ওই অর্থবছরের জানুয়ারি মাসেও রেমিট্যান্সে বড় ধরনের উল্লম্ফন ছিল। ওই মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫৯ কোটি ৭২ লাখ ডলার।
চলতি অর্থবছরে বৈধ পথে রেমিট্যান্স বাড়াতে জাতীয় বাজেটে রেমিট্যান্সের ওপর দুই শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে ওই প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়ে নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ায় রেমিট্যান্সের সুবিধাভোগীরা এ প্রণোদনা এখনও পেতে শুরু করেননি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নীতিমালাটির খসড়া অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোর অথোরাইজড ডিলার শাখাগুলোকে নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত ৩১ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল বলেন, ‘এক হাজার ডলারের নিচে যেসব রেমিট্যান্স পাঠানো হবে সেগুলোর ওপর প্রণোদনা দেওয়া হবে। এমন একটি সিলিং নির্ধারণ করার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।’ এর বেশি রেমিট্যান্স আসলে ডকুমেন্টেশনের কথাও বলেন ডেপুটি গভর্নর।
এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, দেরি করে প্রণোদনা দেওয়া শুরু হলেও অর্থবছরের প্রথম থেকে যারা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন তাদের সবাই প্রণোদনা পাবেন। এ বিষয়ে একটি পদ্ধতি দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ জন্য আরও ২-৩ মাস অপেক্ষা করতে হবে।

 

ট্যাগ »

সর্বশেষ..



/* ]]> */