এপিক প্রপার্টিজ এমডির বিরুদ্ধে পরোয়ানা

দোকান দখল চেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের প্রথম সারির আবাসন কোম্পানি এপিক প্রপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গতকাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। অভিযোগ রয়েছে, জোরপূর্বক গ্রাহকের দোকান দখল করেন আবু সুফিয়ান। এ নিয়ে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মহানগরের পাঁচলাইশ এলাকায় কেবি ফজলুল কাদের রোডে এপিক প্রপার্টিজের একটি প্রকল্প থেকে দোকান কেনেন শওকত আলম। পরে আসামিরা তাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করলে শওকত আলম গত ২২ অক্টোবর দোকান দখল চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছিলেন। বুধবার তিন আসামি আদালতে হাজির হলেও আসেননি এপিকের এমডি আবু সুফিয়ান। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই মামলায় জামিন পেয়েছেন এপিকের চেয়ারম্যান এসএম লোকমান কবির, পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন ও প্রকল্প পরিচালক মো. সোলায়মান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী মোস্তফা মোহাম্মদ এমরান।
এ প্রসঙ্গে বাদীর আইনজীবী শেয়ার বিজকে বলেন, পাঁচলাইশ থানার কেবি ফজলুল কাদের রোডে এপিক প্রপার্টিজের একটি প্রকল্প থেকে দোকান কেনেন শওকত আলম। পরে আসামিরা তাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করলে শওকত আলম আদালতে মামলা করেন। গতকাল তিন আসামি আদালতে হাজির হলেও আসেননি এপিকের এমডি আবু সুফিয়ান। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
এ বিষয়ে জানার জন্য আবু সুফিয়ানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ব্যবহƒত নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান লোকমান কবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি শেয়ার বিজকে বলেন, এটা আসলে একটা হয়রানিমূলক মামলা। মামলার বাদী বেশ কয়েক বছর ধরে আমাদের নানাভাবে বিরক্ত করছেন। আর গতকাল এ মামলার শুনানি ছিল। আমাদের এমডি দেশের বাইরে থাকায় আদালত গ্রেফতারি পারোয়ানা জারি করেন। তবে তিনি কবে ফিরবেন, তা জানা নেই।
উল্লেখ্য, এপিক প্রপার্টিজ লিমিটেডের এমডি আবু সুফিয়ান রিহ্যাব চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাবেক সভাপতি। তার মালিকানাধীন এপিক হেলথ কেয়ার লিমিটেড, এপিক এনার্জি কোং, বিডকো, এপিক রেডিমিক্স অ্যান্ড কংক্রিট লিমিটেড, হোটেল সি-ইন এপিক ও এপিক এগ্রো লিমিটেড প্রভৃতি নামে প্রতিষ্ঠান রয়েছে।