কোম্পানি সংবাদ

এসইএমএল এফবিএলএসএল গ্রোথ ফান্ডের দর বেড়েছে ৫৮ শতাংশ

সাপ্তাহিক লেনদেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এসইএমএল এফবিএলএসএল গ্রোথ ফান্ড গত সপ্তাহে দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে। আলোচিত সময়ে ফান্ডটির শেয়ারদর বেড়েছে ৫৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, গত সপ্তাহে মিউচুয়াল ফান্ডটির প্রতিদিন গড় লেনদেন হয়েছে ১১ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকার শেয়ার। সপ্তাহ শেষে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৫৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।
এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে ফান্ডটির দর ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ বা দুই টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ২৭ টাকা ৮০ পয়সায় এর ইউনিট হাতবদল হয়। যার সমাপনী দরও ছিল ২৭ টাকা ৮০ পয়সা। দিনভর ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি দর ২৭ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ২৭ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয়। গত এক বছরে এ ইউনিটের সর্বোচ্চ দর ছিল ২৭ টাকা ৮০ পয়সা ও সর্বনিম্ন চার টাকা ৫০ পয়সা। ওইদিন ২২ হাজার ৯০০টি ইউনিট ১৯ বার হাতবদল হয়। যার মোট মূল্য ছয় লাখ ৩৬ হাজার টাকা।
২০১৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটেগরির এ মিউচুয়াল ফান্ডটির পরিশোধিত মূলধন ৭২ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। মোট ইউনিট সাত কোটি ২৯ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০টি; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৫১ দশমিক ৪১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৪৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে বাকি শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ শেয়ার।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ড। ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি দর বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে ফান্ডটির প্রতিদিন ২৫ লাখ ৪২ হাজার ২০০ টাকার ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে এক কোটি ২৭ লাখ ১১ হাজার টাকার ইউনিট।
এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ বা ৯০ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ১০ টাকায় এর ইউনিট হাতবদল হয়। সমাপনী দরও ছিল ১০ টাকা। দিনভর ফান্ডটির শেয়ারদর ৯ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১০ টাকায় লেনদেন হয়। গত এক বছরে এ ইউনিটের সর্বোচ্চ দর ছিল ১০ টাকা ও সর্বনিম্ন ছয় টাকা ৫০ পয়সা। ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটেগরির এ মিউচুয়াল ফান্ডটির পরিশোধিত মূলধন ১৫৮ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মোট ইউনিট ১৫ কোটি ৮৭ লাখ ৪৫ হাজারটি; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ২৫ দশমিক ২০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৭৩ দশমিক ১৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে বাকি এক দশমিক ৬৬ শতাংশ শেয়ার।
তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান। ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি দর বেড়েছে ১৯ দশমিক ২৩ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে ফান্ডটির প্রতিদিন ১৭ লাখ ৪৩ হাজার ৬০০ টাকার ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ৮৭ লাখ ১৮ হাজার টাকার ইউনিট।
তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফরচুন শুজ লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন ১৯ কোটি ২৯ লাখ ৫২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ৯৬ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার।
সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর তিন দশমিক ৬৪ শতাংশ বা এক টাকা ৪০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৩৯ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ৩৯ টাকা ৯০ পয়সা। ওইদিন ৩৮ কোটি ৮৪ লাখ ৪৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ৯৭ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯১টি শেয়ার মোট চার হাজার ৭৪ বার হাতবদল হয়। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৩৮ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৪১ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ২৭ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৪১ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৮৬ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৫ টাকা ৫৯ পয়সা। ওই সময় মোট মুনাফা করেছে ২০ কোটি ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
এর আগে ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। এ সময় ইপিএস হয়েছে দুই টাকা তিন পয়সা এবং এনএভি ১৫ টাকা ২৪ পয়সা। এটি তার আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৫৫ পয়সা ও ১৪ টাকা ২৯ পয়সা।
কোম্পানিটি ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে লেনদেন হচ্ছে। ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১২৪ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৪৪ কোটি ৪০ লাখ ১০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট ১২ কোটি ৪৯ লাখ ৩৬ হাজার শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩০ দশমিক ৯৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ৯ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৫৯ দশমিক ১৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে এসইএমএল লেকচার ইকুয়িটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ড। ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি দর বেড়েছে ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে ফান্ডটির প্রতিদিন এক কোটি ৬৪ লাখ টাকার ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে আট কোটি ২০ লাখ টাকার ইউনিট। এর পরের অবস্থানে রয়েছে এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ্ ফান্ড, ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস, ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স ও ঢাকা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।

সর্বশেষ..



/* ]]> */