কতটুকু অধিকার পাচ্ছে সৌদি নারীরা?

শাকির আহমেদ: গত ২৪ জুন সৌদি আরবের নারীরা গাড়ি চালানোর অধিকার লাভ করেন। ১৯৯০ সালে সৌদি আারবের রাজধানীতে গাড়ি চালানোর দাবিতে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তারই ধারাবাহিকতায় গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার-সংক্রান্ত একটি আদেশপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন। তবে সৌদি নারীদের জন্য গাড়ি চালানোর অধিকার পাওয়ার আন্দোলনের পথটা মোটেও মসৃণ ছিল না। ১৯৯০ সালেই অর্ধশতাধিক নারী অধিকার কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। শুধু তাতেই ক্ষান্ত হয়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ, প্রতিবাদকারী নারীদের পাসপোর্টও বাজেয়াপ্ত করা হয়। ২০১১ সালে গাড়ি চালানোর অপরাধে এক নারীকে বেত্রাঘাত করার নির্দেশ দেন সৌদি আরবের একটি আদালত। গত মে মাসেও নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার প্রদানের দাবিতে সোচ্চার লওজেইন আল-হাথলওল এবং এমান আল-নাফজানসহ ১৭ জন নারী অধিকারকর্মীকে গ্রেফতার করে সৌদি পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, এসব নারী অভিভাবকত্ব আইন এবং গাড়ি চালানোর অধিকার নিয়ে কথা বলায় সৌদি কর্তৃপক্ষের চক্ষুশূলে পরিণত হয়েছেন। আর সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব নারী অধিকারের আদায়ের নামে বহিঃশত্রুর সঙ্গে রহস্যজনক যোগাযোগের মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত। সৌদি আরবে গ্রেফতারকৃত নারীদের পরিচয় সরাসরি প্রকাশ করলে নারীরা সামাজিকভাবে হেয় হন, তাই সাম্প্রতিক দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের সময়ও গ্রেফতারকৃত নারীদের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছিল। কিন্তু গাড়ি চালানোর দাবিতে গ্রেফতারকৃত নারী অধিকারকর্মীদের সব তথ্যই স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে আটক হওয়া নারীদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণœ হওয়ার অভিযোগ উঠছে।
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অন্যান্য দেশের নারীদের অবস্থানের সঙ্গে সৌদি আরবের নারীদের অবস্থানের তুলনা করলেই বোঝা যাবে, কট্টর মতবাদ ‘ওয়াহাবিজম’ সৌদি আরবের নারীদের কতটা পিছিয়ে দিয়েছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ইরানের নারী আনুশেহ আনসারি বিশ্বের প্রথম মহিলা হিসেবে মহাকাশ গমনের রেকর্ড গড়েছেন। ইরানের নারী শিরিন এবাদি ইরানের প্রথম নারী হিসেবে নোবেল পেয়েছেন। আর আধুনিক তুরস্কের জনক মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের পালিত কন্যা সাবিহা বিমানের পাইলট হিসেবে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান দিয়েছিলেন অনেক আগেই। শুধু তা-ই নয়, বিভিন্ন মুসলিম দেশের নারীরা নানা চ্যালেঞ্জিং ও গতিশীল কাজে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পারলেও সৌদি নারীদের ভাগ্যে তা জোটেনি। সৌদি আরবের মোট জনশক্তির মাত্র ২০ শতাংশ নারী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত এক লাখ ২০ হাজার নারী ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করলেও কতজন লাইসেন্স পেয়েছেন বা পাবেন, তা এখনও জানায়নি সৌদি আরব। বাদশাহর আদেশপত্র অনুযায়ী যাদের লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে, সেখানে জুড়ে দেওয়া আছে ‘ইসলামি বিধিবিধান’ মেনে গাড়ি চালানোর শর্ত। ‘ইসলামি বিধিবিধিান’ টার্মটিও সংজ্ঞায়িত করেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ। ফলে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া নারী সমাজ ইসলামি বিধানের মোড়কে ওয়াহাবিজমের মতো গোড়া মতাদর্শের বেড়াজালে আবদ্ধই রয়ে গেলেন। নারীরা গাড়ি চালানোর অধিকার পেলেও দেশটির একটি বড় অংশ বিশেষত সালাফিরা এখনও তা মেনে নিতে পারছেন না। গোঁড়া ইসলামি মতাদর্শ ওয়াহাবিজমের ওপর প্রতিষ্ঠিত সৌদি আরবে সালাফিরা সবচেয়ে শক্তিশালী। সালাফিরা মনে করে, গাড়ি চালালে নারীদের পর্দার খেলাফ হবে এবং সৌদি নারীদের অধিক সন্তান প্রসবের চিরাচরিত প্রজনন ক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। শুধু সালাফি আলেমরাই নয়, সৌদি জনসাধারণের মধ্যে এমন বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানো হয়েছে। আগামী ১২ বছরের মধ্যে ২০০০ প্রেক্ষাগৃহ স্থাপনের পাশাপাশি সিনেমা তৈরির ছাড়পত্রও দেওয়ার বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে অসন্তুষ্ট সালাফিরা। কনসার্টের অনুমোদন এবং সৌদি নারীদের স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টিতেও ইসলামি আদর্শ লঙ্ঘনের গন্ধ খুঁজে পাচ্ছে কট্টর সালাফিরা।
শখের বসে নয়, পরিবারের আর্থিক দুরবস্থা দূর করতেই নারী চালক সালমা আল-শেরিফ গাড়ি চালানো শুরু করেছিলেন। কিন্তু অনেকেই তাকে ভিন্ন চোখে দেখত। নারীরা গাড়ি চালানোর অধিকার পাওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই সালমার গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে উগ্রবাদীরা। সালমার অভিযোগ, ‘নারীদের গাড়ি চালানোর বিরোধীতাকারীরাই’ তার গাড়িতে আগুন দিয়েছে। এখানেই শেষ নয়, ধর্মীয় কট্টরপন্থি সুকৌশলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা নেতিবাচক মন্তব্য করে সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর বিষয়টি সমালোচনা করছে। তবে আশার বিষয় হলো, সৌদি তরুণদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেরিফকে সমর্থন এবং পুড়ে যাওয়া গাড়ির ছবি পোস্ট করে এটাকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
সৌদি নারীদের চাকরিতে অংশগ্রহণের হারও হতাশাজনক। ক্রমে ক্রমে তা বাড়তে শুরু করলেও পরিবার থেকে শুরু করে সব জায়গায় নারীদের সরাসরি কাজে অংশগ্রহণকে ভিন্ন চোখে দেখা হয়। গত বছরের অক্টোবরে গ্যাস স্টেশনে কাজ শুরু করেছিলেন মারভাত বুখারি নামের এক নারী। তখন রক্ষণশীল সৌদিরা তার সমালোচনার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হ্যাশ ট্যাগ করে ওই নারীর চাকরি নিয়ে নানা বিদ্রƒপাত্মক মন্তব্য করেছিলেন। মারভাক বুখারির পরিবার থেকেও আসতে থাকে নানা বাধা। অবশেষে ওই নারী জনসমক্ষের কাজ বাদ দিয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপনা বিভাগে যোগ দিতে বাধ্য হন।
পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রেও সৌদি নারীদের স্বাধীনতা নেই। সৌদিতে মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢেকে রাখা পোশাক-আবায়া পরা বাধ্যতামূলক। ২০১৬ সালে আবায়া খুলে ফেলার কারণে এক সৌদি নারীকে গ্রেফতার করেছিল রিয়াদের পুলিশ। চলতি বছরের শুরুতে সৌদি আরবের শীর্যস্থানীয় ধর্মীয় চিন্তাবিদদের ফোরাম ‘কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলারস’-এর সদস্য শেখ আবদুল্লাহ আল মুতলাক আবায়া পরার বিষয়ে বাধ্যবাধকতা নেই বলে মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু এখনও আবায়ার বিষয়ে নারীদের ছাড় দিতে নারাজ রক্ষণশীল সৌদি সমাজ। ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় আবায়া পরার ক্ষেত্রে কোনোরূপ শৈথিল্য বরদাশত করে না সৌদি আরবের কট্টরপন্থিরা। সম্প্রতি সৌদি আরবে নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার পাওয়া নিয়ে রিপোর্ট করছিলেন দুবাইয়ের আল আন টিভির সাংবাদিক শিরিন আল রিফাহ। হঠাৎ বাতাসের কারণে তার কাপড়ের কিয়দাংশ সরে গিয়ে তার পরিধান করা পায়জামার কিছু অংশ দেখা যায়। ফলে এ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘অশালীন কাপড়’ পরার অভিযোগ আনা হয়। ওই টিভি চ্যানেলকেও শোকজ করে সৌদি রাজ পরিবার। টুইটারে হ্যাশ ট্যাগ করে ওই নারী সাংবাদিককে নিয়ে নানা বাজে মন্তব্য করা হয়। ফলে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন এ গণমাধ্যমকর্মী। এ ঘটনা থেকেই বোঝা যায়, সৌদি আরব এখনও নারী আর গণমাধ্যমের জন্য কতটা বিপজ্জনক।
‘গার্ডিয়ানশিপ ল’ বা অভিভাবকত্ব আইন দিয়ে সৌদি আরবে নারীদের হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। সৌদি নারীদের বাইরে বের হওয়াসহ অন্যসব কাজের ক্ষেত্রে নিজের অভিভাবক অর্থাৎ পিতা-স্বামী বা ছেলেসন্তানের অনুমতি লাগে। সৌদি নারীদের অভিযোগ, অভিভাবকত্ব আইন দিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ নারীদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে রাখা হয়েছে। দেশটিতে অভিভাবকত্ব আইন একটাই কঠিন যে, কারাবন্দি কোনো সৌদি নারীর সাজার মেয়াদ পূর্ণ করার পরও যদি তার আইনানুগ অভিভাবক হাজির না হন তাহলে সে নারীর কারামুক্তি মেলে না। গুরুতর অসুস্থ হলেও আইনসিদ্ধ অভিভাবকের অনুপস্থিতিতে অস্ত্রোপচার করা হয় না। পড়ালেখা এমনকি চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে হলেও লাগে অভিভাবকত্ব আইনের বিভিন্ন শর্তে উত্তীর্ণ অভিভাবক। বিদেশ গমনের জন্য পাসপোর্ট পেতে হলেও সৌদি নারীদের পুরুষ অভিভাবকের সম্মতি লাগে। গাড়ি চালানোর অধিকার পাওয়ার আগে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সৌদি আরবের একজন নারী বলেছিলেন, সৌদি নারীদের যদি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অধিকার আর অভিভাবকত্ব আইন বিলোপের মধ্যে যে কোনো একটি অধিকার বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে অধিকাংশ সৌদি নারীই আগে অভিভাবকত্ব আইনের বিলোপের পক্ষেই দাঁড়াবেন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, গার্ডিয়ানশিপ আইন সৌদি নারীদের আইনগতভাবে সারাজীবন নাবালিকা করে রাখছে, তারা নিজের জীবনের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই নিজে নিতে পারছেন না।”
দীর্ঘদিন ধরে সৌদি নারীবাদীরা এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছেন। সৌদি আরবের ক্রীড়া পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আন্ডার সেক্রেটারি রাজকন্যা রিমা বিনতে বন্দর বিন সুলতান আল সৌদ গণমাধ্যমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ আইন বাতিলের কথা জানালেও, এখনও দিন-ক্ষণ বলছে
না সৌদি কর্তৃপক্ষ।
রাজনীতিতেও অনেক পিছিয়ে সৌদি আরবের নারীরা। ২০১১ সালে আরব বসন্তের সময় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণে নারী সমাজ একটা বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন। আর আরব বসন্তের হাওয়া বইতে শুরু করেছিল সৌদি আরবেও। সে সময় অনেকটা বাধ্য হয়েই সৌদি আরবের তৎকালীন বাদশাহ আবদুল্লাহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সৌদি নারীদের ভোটাধিকার এবং নির্বাচনের প্রার্থিতার দাবির স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েই পৌর নির্বাচনে ২১ জন নারী জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে চমক দিয়েছিলেন। বাদশাহর পরামর্শক পরিষদ হিসেবে খ্যাত সৌদি আরবের ‘শূরা কাউন্সিল’-এ ৩০ জন নারীকে নিয়োগ দেওয়া হলেও মন্ত্রিপরিষদে নারীরা অনেক পিছিয়ে। পুরো মন্ত্রিসভায় কোনো নারী পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্বে নেই। কেবল শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে তামাদের বিনতে ইউসেফ আল-রামাহ নামক একজন নারী। ২০১৭ সালে সৌদি রাজনীতিতে নারীদের অবস্থান নিয়ে সবচেয়ে অবাক করা তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। ওই বছর সৌদি আরবের আল-কাসিম প্রদেশে অনুষ্ঠিত নারী কাউন্সিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোনো নারীকেই দেখা যায়নি। নারী প্রতিনিধিরা ছিলেন ভিন্ন ঘরে। তাদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল, তারপরও পুরুষদের সঙ্গে বসতে দেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। সৌদি আবরে শুধু সেদেশের নারীরাই অধিকারবঞ্চিত নয়, বরং বিভিন্ন দেশ থেকে সৌদিতে গমনকারীরাও নানা নির্যাতনের শিকার হন। এর একটা বড় প্রমাণ হলো, বাংলাদেশ থেকে বিগত কয়েক বছর ধরে গৃহকর্মী হিসেবে সৌদিতে যাওয়া নারীদের অনেকেই কাজ না করেই দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। সেদেশে নারী গৃহকর্মীদের অতিরিক্ত কাজ করানো, ঠিকমতো বেতন না দেওয়া এবং পরিবারের সব পুরুষ সদস্য কর্তৃক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে সরে আসতে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান ‘ভিশন- ২০৩০’ ঘোষণা করেছেন। এ ভিশনে মোট জনশক্তিতে এক-তৃতীয়াংশ নারীকে সম্পৃক্ত করার কথা বলা হয়েছে। সৌদি আরবের মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ তরুণ। যাদের অধিকাংশই গোঁড়া সালাফিদের এড়িয়ে যেতে চায়। উদারপন্থি এ তরুণদের সমর্থনও পাচ্ছেন সালমান। সৌদি নারীরাও নতুন করে জেগেছেন। শুধু গাড়ি চালানোই নয়, শারীরিক কসরত থেকে শুরু করে বক্সিং শিখছেন। ফলে সৌদি নারীদের অবস্থান অনেকটাই বদলানোর পথে। কিন্তু সৌদি আরবের সালাফি এবং রক্ষণশীলদের চাপের মুখে যুবরাজ নিজের অবস্থানে কতটা অনড় থাকতে পারবেন সেটাই দেখার বিষয়।

গণমাধ্যমকর্মী

[email protected]