এসএমই

কাইজেন

সরকারের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) উন্নয়নে নীতিকৌশল বাস্তবায়নে কাজ করে থাকে এসএমই ফাউন্ডেশন। এর পাশাপাশি অন্যান্য কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে এ খাতে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য নানা পদক্ষেপ নেয় সংস্থাটি। এমনই এক পদ্ধতি কাইজেন। কাইজেন বাস্তবায়নের মাধ্যমে এসএমইদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে এসএমই ফাউন্ডেশন।

জাপানি শব্দ কাইজেন। জাপানি দুটি শব্দ থেকে এসেছে কাইজেন। ‘কাই’ অর্থ পরিবর্তন। ‘জেন’ অর্থ ভালো। অর্থাৎ ‘ভালোর জন্য পরিবর্তন’ বলতে বোঝানো হয় কাইজেন। এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক অনুশীলন। এ অনুশীলনের মধ্য দিয়ে উৎপাদন কৌশল ও ব্যবসা ব্যবস্থাপনার সব কাজের ধারাবাহিক উন্নয়নের ওপর নজর দেওয়া হয়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এ নীতি প্রবর্তন করা হলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

কাইজেনের কয়েকটি মূলনীতি:

কাজটি সম্ভব নয়, এমন মনোভাব না দেখিয়ে কীভাবে করা যেতে পারে, তা নিয়ে ভাবা উচিত।

শুধু নিজের মতামত নয়, সবার পরামর্শে সমস্যার সমাধান করা ভালো।

ভুলগুলো এখনই সংশোধন করা ভালো।

নিখুঁত না হলেও ৬০ শতাংশ কার্যসম্পাদন প্রাথমিকভাবে গ্রহণযোগ্য।

সমস্যায় না পড়লে সমাধানের উপায় বের হয় না।

চেষ্টা না করে কাজ সম্পর্কে অভিযোগ বা বিরূপ মন্তব্য করা ঠিক নয়।

বড় নয়, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধারাবাহিক উন্নতিই দীর্ঘস্থায়ী সাফল্যের উৎকৃষ্ট পন্থা।

কাইজেনের সুফলতা:

দলগত কাজের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করা যায়।

কর্মদক্ষতা বাড়ায়।

ভুল হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়।

প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সবাই সন্তুষ্ট থাকে।

সুন্দর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হয়।

নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায়।

প্রক্রিয়ানির্ভর হওয়ায় প্রতিটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াতেও পরিবর্তন আনে।

বিস্তারিত তথ্য জানতে এসএমই ফাউন্ডেশনে যোগাযোগ করতে পারেন।

তথ্যসূত্র: এসএমই ফাউন্ডেশন

 

সর্বশেষ..



/* ]]> */