কৃষিকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার বিজ: দেশের উন্নয়নের জন্য শিল্পকে উন্নত করতে হবে, কিন্তু কৃষিকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া দেশের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষি, শিল্প ও রপ্তানিতে বাড়তি নজর দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণে কাজ করতে হবে। আমাদের দেশের অর্থনীতি কৃষি নির্ভর। দেশের উন্নয়নের জন্য শিল্পকে উন্নত করতে হবে। তবে কৃষিকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না

সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রেতম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় তিনি বলেন, আমরা এখন বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করছি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আমরা রপ্তানি আয় ৩৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার করতে পেরেছি। আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে। নতুন নতুন পণ্য যেমন তৈরি করতে হবে, তেমন সেগুলো রপ্তানি করতে নতুন নতুন বাজার খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারে বাণিজ্য মেলা ভূমিকা রেখে চলছে। দেশি বিদেশি ক্রেতাদের পছন্দ-অপছন্দ, রুচি, চাওয়া জানা যাচ্ছে এই মেলার মাধ্যমে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশ গড়তে এসেছি, নিজের ভাগ্য গড়তে না। প্রধানমন্ত্রী অল্প সময়ের দায়িত্ব। এটুকু কাজে লাগাতে চায়। বাংলাদেশের মানুষের জীবন কতটা উন্নত করতে পারলাম, সেটা দেখতে চাই। নিজের ভাগ্য বদলাতে আসিনি। আমরা চাই প্রতিটি নাগরিক যেন বিশ্বের যে কোনো জায়গায় গেলে বলতে পারে, আমরা বাংলাদেশি। আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি। নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু করার সিদ্ধান্ত বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বদলে দিয়েছে। আমরা কি সারাজীবন ভিক্ষুক থাকার জন্য দেশ স্বাধীন করেছি।

শহরের পাশাপাশি গ্রামের এখন নজর দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এখন নজর দিচ্ছি গ্রামে। তাদের উন্নয়ন, তাদের আয় ক্ষমতা, তাদের পণ্য ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। আরেকটি হচ্ছে যোগযোগ ব্যবস্থা। দেশের উন্নয়নে নতুন নতুন বাজার, নতুন নতুন পণ্য , মানোন্নয়ন ও ব্র্যান্ডিং করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

২০১৭ সালে চামড়া খাতকে প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশকে আরো উপরে নিয়ে যাওয়ার জন্য ২০১৮ সালে কাঁচামালসহ ওষুধকে ‘প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার’ ঘোষণা করছি।