খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি হলে পুরো দায় সরকারের: ফখরুল

 

শেয়ার বিজ ডেস্কঃ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পর এবার দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আমরা খবর পাচ্ছি। এতে বিএনপি ও দেশবাসী উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে আমরা তার পছন্দের ইউনাইটেডসহ বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় দেশনেত্রীর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে তার দায়-দায়িত্ব পুরোটাই সরকারকে বহন করতে হবে। এ বিষয়ে নোংরা রাজনীতি না করে সোজা পথে তাকে মুক্তি দিয়ে সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শুক্রবার তার পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করতে পারেননি। তার আগের দিন আমিসহ নেতারা দেখা করতে পারিনি। জেলার ভেতর থেকে ফোনে মির্জা আব্বাসকে জানিয়েছিলেন আজ দেখা করা সম্ভব না। কারাকর্তৃপক্ষ এর সুস্পষ্ট কোনও কারণ দেখায়নি। প্রায় ১০ দিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে পারেনি তার পরিবারের সদস্যরা। এতে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার কর্তৃক গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্বিবিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) পরীক্ষা-নিরীক্ষা করায়। সেখান একজন অর্থপেডিককে দেখানোর সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু কারাকর্তৃপক্ষ এখনও তা করেনি। কারাগারে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আমরা খবর পাচ্ছি। এতে সারাদেশ ও জাতি উৎকণ্ঠিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘অবিলম্বে আমরা তার পছন্দের ইউনাইটেডসহ বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানাচ্ছি। খালেদা জিয়ার কয়েকটি রক্ত পরীক্ষা বিশেষ করে এমআরআই পরীক্ষা করা জরুরি প্রয়োজন হয়েছে। কারাকর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে স্পষ্ট কথা আমাদের ও জাতির সামনে তুলে ধরেনি।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।