চালের মূল্য অস্থিতিশীল করতে বেনাপোলে অপপ্রচার

বেনাপোল প্রতিনিধি: বাজারে চালের মূল্য অস্থিতিশীল করতে একটি মহল বন্দর এলাকায় অপপ্রচার চালাচ্ছে ব্যবসায়ীদের মাঝে। গত ১০ সেপ্টেম্বর ভারতের শিল্প মন্ত্রণালয়ের স্বাক্ষরবিহীন একটি ভুয়া চিঠি বন্দর এলাকায় বিভিন্ন ব্যসায়ীর  মাঝে প্রচার করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়Ñআগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের পর ভারত বাংলাদেশে চাল রফতানি করবে না। এ ছাড়াও মোবাইলে ছবি ধারণ করে তা শেয়ার ইট-এর মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ব্যবসায়ীদের মাঝে।

এদিকে চিঠির সূত্র ধরে আমদানিকারকরা ইচ্ছেমত গত তিন দিনে চালের মূল্য কেজিপ্রতি দুই-তিন টাকা করে বাড়িয়েছেন। এ গুজবে বাজারে চালের দাম হুহু করে বাড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি মিথ্যা সংবাদও টিভি চ্যানেল ও পত্রিকায় প্রকাশের পর বাজারে আরও এক ধাপ চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে আমদানিকারকরা বন্দর থেকে চাল খালাসের পর তা তাদের নিজস্ব গুদামে স্টক করতে শুরু করেছেন বলে জানা যায়।

বেনাপোলের আমদানিকারক আ. সামাদ জানান, সর্বশেষ বন্দর থেকে চাল খালাসের পর তা বন্দরেই বিক্রির রেট অনুযায়ী ১১ সেপ্টেম্বর স্বর্ণা চাল ৪২ টাকা ও মিনিকেট ৪৯ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর স্বর্ণা ৪৩ ও মিনিকেট ৫১ টাকা দরে বিক্রি হয় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর স্বর্ণা ৪৪.৫০ টাকা ও মিনিকেট ৫২.৫০ টাকা মূল্যে বিক্রি হয়।

কাস্টমসের একটি সূত্র জানায়, ১২ সেপ্টেম্বর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে দুই হাজার ২৪০ টন চাল আমদানি হয়েছে। ১৩ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত বেনাপোল বন্দরে দুই হাজার ৪৬০ টন চাল আমদানি হয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার শওকাত হোসেন জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে কোনো চাল আমদানি হবে নাÑএটা এক ধরনের অপপ্রচার। তাছাড়া মোবাইলে ধারণ করা যে চিঠি বন্দর এলাকায় প্রচার করা হচ্ছে, সে চিঠিতে কোনো স্বাক্ষর নেই। বাজারে চালের মূল্য অস্থিতিশীল করতেই একটি মহল বন্দর এলাকায় অপপ্রচার চালাচ্ছে।