বাণিজ্য সংবাদ

চিনিশিল্পকে লাভজনক করার নির্দেশ শিল্প প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের চিনিশিল্পকে লাভজনক করার নির্দেশনা দিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। তিনি বলেন, চিনির ডিলারদের অবশ্যই দেশীয় চিনি বিক্রি করতে হবে, নতুবা তাদের ডিলারশিপ বাতিল করে নতুন করে ডিলারশিপ প্রদান করা হবে।
গতকাল রোববার শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের আরএডিপিভুক্ত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। শিল্প সচিব আবদুল হালিমের সভাপতিত্বে সভায় শিল্প মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন করপোরেশন ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সরকারি অলাভজনক শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে লাভজনক করতে প্রয়োজনীয় কিছু করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। বহু বিদেশি উদ্যোক্তা বাংলাদেশের শিল্পকারখানাগুলোকে লাভজনক করা ও নতুন কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ইউরোপের উন্নত যন্ত্রপাতি স্থাপন করে রুগ্ণ শিল্পকারখানার উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে এগুলোকে লাভজনক করতে হবে।
শিল্প প্রতিমন্ত্রী এ সময় সরকারি শিল্পকারখানার জমি যাতে বেহাত না হয়ে যায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এসব জমিকে উৎপাদন কাজে ব্যবহারের প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।
শিল্প সচিব বলেন, সরকারি শিল্পকারখানাগুলোয় লোকসানের পরিমাণ কমিয়ে এনে লাভজনক করতে এসব প্রতিষ্ঠানকে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত এ কৌশল কাজে লাগিয়ে অর্থনীতিতে সরকারি শিল্পকারখানার ভূমিকাকে শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, যেসব প্রকল্প পরিচালক প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সভায় জানানো হয়, বাস্তবায়নাধীন ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজারের মূল নির্মাণকাজের জন্য এ বছর জুলাইয়ে প্রকল্প এলাকা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। আরও জানানো হয়, সাভারে অবস্থিত চামড়াশিল্পনগরীর কারখানাগুলো যাতে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের মানদণ্ড অনুযায়ী পৃথক ক্রোম লাইনে বর্জ্য নিষ্কাশন ও সেফটি ট্যাংকের যথাযথ ব্যাবহারসহ অন্যান্য বিষয় মেনে চলে, সে বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
চামড়াশিল্পনগরীর রাস্তা ও ড্রেনের কাজের জটিলতা নিরসন করে প্রজেক্ট ডকুমেন্টের স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এছাড়া ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ভেজালবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করতে বিএসটিআই’র কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে প্রকল্প গ্রহণ করার জন্য এ প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এছাড়া যেসব প্রকল্পের ২০১৯-২০ অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনা ও ক্রয় পরিকল্পনা এখনও মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়নি, সেগুলো অতি দ্রুত মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের জন্য তাগাদা প্রদান করা হয়।

ট্যাগ »

সর্বশেষ..



/* ]]> */