ছাড়পত্র পেল ‘শনিবার বিকেল’

শোবিজ ডেস্ক: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘শনিবার বিকেল’। গত বুধবার এটি ছাড়পত্র পেয়েছে। সেন্সর বোর্ডের কয়েকজন সদস্য এবং চলচ্চিত্রটির অন্যতম প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত বছরের ৫ জানুয়ারি শুটিং শুরু হয়েছিল মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর চলচ্চিত্র ‘শনিবার বিকেল’; যার ইংরেজি নামকরণ করা হয়েছে ‘স্যাটারডে আফটারনুন’। একেবারে এক বছর পূর্ণ করেই ছবিটি এখন মুক্তির জন্য চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত।
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আবদুল আজিজ বলেন, ‘খুব সুন্দরভাবে আনকাট ছাড়পত্র পেয়েছে ছবিটি। আমাদের ইচ্ছে মার্চের শেষদিকে এটি পর্দায় আনার। যদি তা সম্ভব না হয় তবে এপ্রিলের প্রথমদিকে এটি আসবে। মাত্র তো ছাড়পত্র পেলাম। একটু সময় নিয়ে বসে সব কিছু ঠিকঠাক করব।’ এদিকে অনেক আগে থেকেই গুঞ্জন ছিল চলচ্চিত্রটি ২০১৬ সালে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলা ও জিম্মিদশাকে অবলম্বন করে। এ বিষয়ে পরিচালক ফারুকী দেশীয় সংবাদ মাধ্যমকে কিছু না জানালেও সম্প্রতি
বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ছবিটি প্রসঙ্গে সেন্সর বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সদস্য ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ বলেন, ‘এটি মূলত হলি আর্টিজানের ঘটনার মতো বিষয় নিয়ে নির্মিত। তবে পরিচালক হলি আর্টিজান নামটি দেখায়নি ছবিটিতে। অন্য একটি অ্যাটাক বুঝিয়েছেন। তবে গল্পটা আসলে একই। টেকনিক্যালি ছবিটি খুবই সমৃদ্ধ। তবে দৈর্ঘ্য খুব একটা বেশি নয়। দেড় ঘণ্টার ছবি এটি। আনকাট নয়, দুই একটি সংলাপ কেটে এটি ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।’ এদিকে সেন্সর বোর্ডের আরেক জ্যেষ্ঠ সদস্য মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘সুন্দর চলচ্চিত্রটি। তবে একে বাণিজ্যিক ঘরানার চলচ্চিত্র বলা যাবে না। একেবারেই আলাদা ধরনের ছবি।’
সরয়ার ফারুকীর নতুন এ ছবিতে কাজ করছেন ফিলিস্তিনের অভিনেতা ইয়াদ হুরানি। সঙ্গে বরাবরের মতো স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা তো আছেনই। এতে একেবারে ভিন্ন গেটআপে আসছেন অভিনেতা জাহিদ হাসান। থাকছেন নন্দিত নাট্যজন মামুনুর রশীদ, কলকাতার পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ও।
জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে ছবিটির মহড়া শুরু হয়। আর শুটিং শুরু হয় ২০১৮ সালের ৫ জানুয়ারি, ঢাকার কোক স্টুডিওতে। ছবিটি বাংলাদেশ থেকে প্রযোজনা করছে জাজ মাল্টিমিডিয়া ও ছবিয়াল, আরও থাকছেন ভারতের শ্যাম সুন্দর দে।