ছোট খাতগুলোয় আগ্রহ ছিল বেশি

রুবাইয়াত রিক্তা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল লেনদেনের প্রথম তিন ঘণ্টা সূচকের গতি ছিল আশাজাগানিয়া। কিন্তু শেষ ঘণ্টার বিক্রির চাপ ফের আগের দিনের অবস্থানে নিয়ে গেছে বাজারকে। যদিও শেষ পর্যন্ত তিন পয়েন্ট ইতিবাচক ছিল ডিএসইএক্স সূচক। ডিএস ৩০ সূচক ইতিবাচক থাকলেও নেতিবাচক অবস্থানে ছিল ডিএসই শরিয়াহ সূচক। আগেরদিন বাজারে সংশোধন হওয়ার পর গতকাল সামান্য ইতিবাচক হয়েছে সূচক। তবে লেনদেন কমে গেছে প্রায় ৮২ কোটি টাকা। তুলনামূলক ছোট খাতগুলো গতকাল বেশি ইতিবাচক ছিল।
গতকালও সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয় প্রকৌশল খাতে। এ খাতে লেনদেন হয় মোট লেনদেনের ২৩ শতাংশ বা ১৯৭ কোটি টাকা। এ খাতের ৫৫ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। কেডিএস এক্সেসরিজের দর আট শতাংশ বেড়ে কোম্পানিটি দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। এছাড়া সাড়ে ৩৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়ে বাজারে নেতৃত্ব দেয় কোম্পানিটি। বিডি ল্যাম্পসের দর বেড়েছে ছয় শতাংশের বেশি। ১৬ শতাংশ লেনদেন হয় বস্ত্র খাতে। এ খাতে মাত্র ২৮ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে বাড়ার প্রেক্ষিতে গতকাল মুনাফা তুলে নেওয়া হয় এ খাত থেকে। যার কারণে প্রাইম টেক্স, সায়হাম কটন, সাফকো স্পিনিং, আনলিমা ইয়ার্ন, ড্রাগন সোয়েটার দরপতনের শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। আগের দিনের তুলনায় এ খাতে লেনদেন কমেছে দুই শতাংশ। এ খাতে ৩৭ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। খুলনা পাওয়ার কোম্পানির ৩০ কোটি টাকা লেনদেন ও দর বেড়েছে তিন টাকা ৫০ পয়সা। ইউনাইটেড পাওয়ারের ২০ কোটি টাকার লেনদেন হলেও দর কমেছে। বিবিধ খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতে ৪৬ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। ন্যাশনাল ফিড মিল ও আমান ফিড দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। ১২৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণার প্রেক্ষিতে গতকাল গ্রামীণফোনের ৩০ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে তিন টাকা ২০ পয়সা। বিমা খাতে ৬২ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। এ খাতের রূপালী লাইফ, পদ্মা লাইফ ও প্রগতি লাইফ দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। এছাড়া চামড়া শিল্প ও টেলিযোগাযোগ খাতে শতভাগ, সিরামিক খাতে ৮০ শতাংশ, খাদ্য খাতে ৫০ শতাংশ, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ৬২ শতাংশ, পাট খাতে ৬৬ শতাংশ, কাগজ ও মুদ্রণ খাতে ৬৬ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ৫০ শতাংশ শেয়ারদর ইতিবাচক ছিল।