‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে হবে’

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং জনগণের বৃহত্তর স্বার্র্থে প্রাকৃতিক সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে হবে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।  ঢাকায় আমেরিকান সেন্টারের সহযোগিতায় বেসরকারি সংস্থা কোস্ট ট্রাস্ট ক্লাইমেট চেঞ্জ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার এ সেমিনার আয়োজন করে।

পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. হাছান মাহমুদ। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভুটান দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটাির মি. ডোমাং,  ক্লাইমেটে অ্যাকশন নেটওয়ার্ক সাউথ এশিয়ার পরিচালক সঞ্জয় ভাহসিস্ট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কেভিন এডকিন, আমেরিকান সেন্টারের সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মকর্তা কেলি আর আরিয়ান, ভারতীয় দূতাবাসের প্রতিনিধি সজিব আহমেদ, বিএনএনআরসির এএইচএম বজলুর রহমান। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন কোস্ট ট্রাস্টের রেজাউল করিম চৌধুরী, এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইইউসিএনের ড. হাসিব মো. ইরফানুল্লাহ এবং কোস্ট ট্রাস্টের সৈয়দ আমিনুল হক।

মূল প্রবন্ধে সৈয়দ আমিনুল হক বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের ছয়টি দেশের ছয়জন লেখকের প্রবন্ধের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন। ভুটান, বাংলাদেশ, মিয়ানমার থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা ও নেপালের মতো দেশে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায়  জীববৈচিত্র্য, ম্যানগ্রোভ বন, বর্জ্য এবং পানি ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় পর্যায়ের অভিযোজন পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ভালো উদাহরণ আছে।

কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত সার্কের তিনটি ঘোষণাপত্র আছে কিন্তু রাজনৈতিক উদ্যোগ খুবই অপ্রতুল। সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এ বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এই অঞ্চলের দেশগুলো যেহেতু জীবাষ্ম জ্বালানি থেকে বের হয়ে আসতে চাইছে, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানে জলবিদ্যুতের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।