টাঙ্গাইলে সবজি চাষে লাভবান কৃষক

আবদুল্লাহ আল নোমান, টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইল জেলায় শীতকালীন শাকসবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষক। জেলা কৃষি অফিস বলছে, শীতকালীন শাকসবজিতে রোগবালাই কম এবং সহজেই লাভবান হওয়ায় কৃষকরা শীতকালীন শাকসবজির চাষ করছেন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বৈল্লা, এনায়েতপুর, গালা ও মাগুরাটা, সদুল্লাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, কৃষক এবং কামলারা শীতকালীন শাকসবজির ক্ষেত পরিচর্যা করছেন। পুরুষের পাশাপাশি মহিলারাও অংশ নিচ্ছেন এ কাজে। অনেকেই ক্ষেত থেকে শীতকালীন সবজি তুলে বাজারজাত করছেন।

এনায়েনপুর গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম জানান, এবার তিনি এক বিঘা জমিতে শীতকালীন শাকসবজি চাষ করেছেন। এতে প্রায় পাঁচ হাজার টাকা খবর হয়েছে। এখন পর্যন্ত তিনি প্রায় সাত হাজার টাকার শাকসবজি বিক্রি করেছেন। যেভাবে বিক্রি হচ্ছে তাতে তিনি বেশ লাভবান হবেন।

একই এলাকার কৃষক জয়নাল আবেদীন জানান, তিনি ১৫ শতাংশ জমিতে বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন শাকসবজি চাষ করেছেন। এতে আমার খরচ হয়েছে তিন হাজার টাকা। এখন পর্যন্ত বাজারে বিক্রি করেছেন ৯ হাজার টাকার সবজি। অল্প পরিশ্রম ও বিনিয়োগে বেশি লাভবান হওয়ায় গ্রামের অনেকেই এখন সবজি চাষাবাদ করছেন।

সদুল্লাপুর গ্রামের কৃষক সৈয়দ আলী জানান, তিনি এক বিঘা জমিতে কপি এবং লালশাক চাষ করেছেন। শীতকালীন শাকসবজিতে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়। এতে সহজেই কৃষকরা লাভবান হতে পারেন। আমন ধান চাষাবাদ করে অনেকের ক্ষতি হয়েছে। তারাও শীতকালীন শাকসবজি চাষাবাদ করছেন, লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

মোতালেব মিয়া নামের আরেক কৃষক জানান, তিনি তিন বিঘা জমিতে লাউ, বেগুন, ডাঁটা, কচু, ধনিয়া ইত্যাদি আবাদ করেছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক আবু আদনান জানান, শীতকালীন শাকসবজিতে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়। এতে সহজেই কৃষকরা শীতকালীন শাকসবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। কেননা  শীতকালীন শাকসবজিতে খরচ কম, লাভ বেশি।