ডরিন পাওয়ারের ঋণমান নির্ণয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (ক্রিসেল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যমতে, কোম্পানিটি দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে পেয়েছে ‘এসটি-২’। ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর এক দশমিক ৩১ শতাংশ বা এক টাকা ১০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৮৫ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৮৩ টাকা ৫০ পয়সা। ওইদিন কোম্পানিটির এক কোটি সাত লাখ ৭৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে এক লাখ ২৯ হাজার ৪৯৫টি শেয়ার মোট ৩০৭ বার হাতবদল হয়। ওইদিন শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৮২ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ৭৬ টাকা থেকে ১১৮ টাকা ৭০ পয়সায় ওঠানামা করে।
জ্বালানি খাতের ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৮ সালের সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময় আগের বছরের তুলনায় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২৮ পয়সা বেড়েছে। ওই সময় ইপিএস করে সাত টাকা ৮৫ পয়সা। যা তার আগের বছর একই সময় ছিল সাত টাকা ৫৭ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) বেড়েছে চার টাকা ৩৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৮ তারিখে এনএভি দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ৩৪ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৫ টাকা ৯৬ পয়সা। আর ওই সময় মুনাফা করেছে ৮২ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। যা তার আগের বছর একই সময় ছিল ৭২ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
এর আগে ২০১৬ সালের সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৪ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৩৪ পয়সা। এটি আগের বছর ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ২৫ পয়সা ও ৩৫ টাকা ৮৮ পয়সা।
২০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা।
কোম্পানিটির মোট ১১ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৬৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ২১ দশমিক ৬৬ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শূন্য দশমিক সাত শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ১১ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার।