ডেল্টা স্পিনার্সের পর্ষদ সভা ২০ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডেল্টা স্পিনার্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ সভা ২০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামী ২০ জানুয়ারি দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে পরিচালনা পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

গতকাল ডেল্পা স্পিনার্সের শেয়ারদর এক দশমিক শূন্য চার শতাংশ বা ১০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৯ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৯ টাকা ৬০ পয়সা। দিনজুড়ে চার লাখ ৮৬ হাজার ৩৯৬টি শেয়ার মোট ২৯৫ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৪৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৯ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৯ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১৩ টাকা ২০ পয়সায় ওঠানামা করে।

২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৯ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৪ টাকা ৪১ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে চার কোটি ৩৭ লাখ ২০ হাজার টাকা।

বস্ত্র খাতের ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছর ছিল পাঁচ শতাংশ নগদ। এ সময় ইপিএস হয়েছে ৩৪ পয়সা এবং এনএভি ১৫ টাকা ৫০ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল ৫৮ পয়সা ও ১৫ টাকা ৮৯ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল চার কোটি ৬৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল সাত কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ছয় পয়সা। আগের বছর একই সময় ইপিএস ছিল সাত পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস কমেছে এক পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৪৭ পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ছিল ১৪ টাকা ৪১ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল ৮৯ লাখ ১০ হাজার টাকা।

১৭৫ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৬৬ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ৫১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির ১৬ কোটি ৬৪ লাখ ৮১ হাজার ৯৬৪টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ১৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৭২ শতাংশ শেয়ার।