বাণিজ্য সংবাদ

ড্যাফোডিলে ‘উদ্ভাবন অংশীদার পরামর্শ’ শীর্ষক সম্মেলন

শেয়ার বিজ ডেস্ক: ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে উদ্ভাবনী অর্থনীতি গঠনে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রিক উদ্যোগ নিয়ে ‘উদ্ভাবন অংশীদার পরামর্শ’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রযুক্তি সম্মেলন গতকাল শুরু হয়েছে। প্রযুক্তি উদ্ভাবক ও রূপান্তর বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম নওয়াজ শরীফ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিম। বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, ব্যবসায় ও উদ্যোক্তাবৃত্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম ইকবাল ও ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের পরিচালক আবু তাহের খান। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ডিপার্টমেন্ট, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এবং স্কিল জবস ও বাংলাদেশ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আবদুল হালিম বলেন, বাংলাদেশে এখন প্রযুক্তির বিপ্লব চলছে। এ বিপ্লবের সুফল ঘরে তুলতে হলে আমাদের প্রযুক্তির উদ্ভাবনের দিকে নজর দিতে হবে। যারা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে সেই তরুণ প্রজš§কে প্রযুক্তিবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সরকার সে লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও স্কুল কলেজের পাঠ্যক্রমে প্রযুক্তি শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এ সময় তিনি প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সম্মেলনের মুখ্য আলোচক অধ্যাপক ড. এম নওয়াজ শরীফ বলেন, কোনো প্রযুক্তিই চিরস্থায়ী নয় এবং কোনো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানই সবসময় মার্কেট লিডার থাকতে পারে না। আজ থেকে ২০ বছর আগে যেসব প্রযুক্তি বাজার দখল করে ছিল এখন সেগুলো নেই। আবার এখন যেসব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাজারে নেতৃত্ব দিচ্ছে সেগুলোও একসময় থাকবে না। সুতরাং বাংলাদেশের সামনে এখন বৈশ্বিক প্রযুক্তি বাজারে নেতৃত্ব তৈরি করার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কারণ বাংলাদেশে এখন চলছে ডিজিটাল বিপ্লব। এ বিপ্লবের পথ ধরেই বাংলাদেশ এক সময় উন্নত অর্থনৈতিক দেশে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এ খ্যাতিমান প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।
সভাপতির বক্তব্যে সবুর খান বলেন, প্রযুক্তির উদ্ভাবনই হয়েছে মানুষের জীবনকে সহজ করার জন্য এবং বেশি বেশি সুবিধা দেওয়ার জন্য। কিন্তু আমরা নেতিবাচক মানসিকতার কারণে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ সুবিধা গ্রহণ করতে পারছি না। আমাদের প্রযুক্তি সম্পর্কে ইতিবাচক হতে হবে। এ সময় তিনি প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে এবং প্রযুক্তির উন্নয়নকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের অর্থনৈতিকভাবে উন্নত করতে হবে।

 

সর্বশেষ..