ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কি.মি. যানজট

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আটকা পড়েছে হাজারো রাজধানীমুখী মানুষ। মহাসড়কের টাঙ্গাইল করাতিপাড়া থেকে গাজীপুর চন্দ্রা মোড় পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো মহাসড়ক। ফলে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। যানজট দূর করতে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ।

অতিরিক্ত গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়া ও মহাসড়কে তিনটি ট্রাক বিকল হওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া এই যানজটে রাতভর আটকা পড়ে শতশত যানবাহনের হাজারো যাত্রী। শনিবার দুপুরেও মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আছাবুর রহমান বলেন, ঈদের ছুটি শেষে গার্মেন্টস কর্মীসহ বিভিন্ন কর্মজীবীরা রাজধানীর উদ্দেশে রওনা হওয়ায় গাড়ির চাপ বেড়ে যায়। যানজট নিরসনে থানা ও হাইওয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, এ মহাসড়কে যানজটের অন্যতম কারণ হচ্ছে, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে বেশির ভাগ রাস্তায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত এই ৭০ কি. মি. মহাসড়কের অধিকাংশ স্থানে পিচ ঢালাই উঠে ছোট বড় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে।

টাঙ্গাইল থেকে রাজধানী ঢাকায় যেতে দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে যাত্রীদের সময় গুনতে হচ্ছে ১০-১৫ ঘণ্টা। কোন কোন ক্ষেত্রে আরও বেশি সময় লাগছে। কবে নাগাদ এ মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের ভোগান্তি শেষ হবে তা কেউ সঠিক ভাবে বলতে পারছে না। তীব্র যানজট থাকায় এ রোডে চলাচলকারী যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে যানজটে আটকে থাকা অ্যাম্বুলেন্সের রোগী, নারী, বৃদ্ধ ও শিশুদের দুর্ভোগের শেষ নেই।

উত্তরাঞ্চলের ২২ টি জেলার যানবাহন এবং টাঙ্গাইল, জামালপুর ও শেরপুর জেলার যানবাহন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করে।