তারল্য সংকটে গতি ফিরছে না বাজারে

রুবাইয়াত রিক্তা: তারল্য সংকট না কাটায় পুঁজিবাজারে লেনদেনের গতি ফিরছে না। আর বাজারে গতি না থাকায় বিনিয়োগকারীদেরও আস্থা ফিরছে না। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের দৈনিক লেনদেন ৩০০ কোটির ঘরে দাঁড়িয়েছে। বাজারের পতন অব্যাহত গতিতে চলছে। তবে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেষ্টা করছে নতুন মার্কেট মেকার প্রতিষ্ঠানকে খুঁজে পেতে। কিন্তু দেশের পুঁজিবাজারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং মুনাফা অর্জনের সুযোগ কম থাকায় কোনো প্রতিষ্ঠানই মার্কেট মেকার হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী নয় বলে সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা গেছে। মার্কেট মেকারের দায়িত্ব বাজারের অবস্থার ওপর নির্ভর করে শেয়ার কিনে বা বিক্রি করে ভারসাম্য বজায় রাখা। বিএসইসি ২০০০ সালে মার্কেট মেকার বা বাজার নির্মাতা আইন তৈরি করে এবং ১৩ জুন, ২০১৭ এসব আইন সংশোধন করে। আইন অনুযায়ী, কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানি মার্কেট মেকার প্রতিষ্ঠান হতে পারবে।

গতকাল ডিএসইতে মাত্র ২০ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে, কমেছে প্রায় ৭৩ শতাংশের। সব খাতেই ছিল শেয়ার বিক্রির প্রবণতা। সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয় ওষুধ ও রসায়ন খাতে। এ খাতে লেনদেন হয় মোট লেনদেনের ২২ শতাংশ বা ৮২ কোটি টাকা। এ খাতে মাত্র ২১ শতাংশ শেয়ারের দর ইতিবাচক ছিল। এ খাতের লিবরা ইনফিউশন, ইবনে সিনা, জেএমআই সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিক্যাল ডিভাইসেস দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে অবস্থান করে। এ খাতের স্কয়ার ফার্মার প্রায় ২৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়ে বাজারে নেতৃত্ব দেয়। এছাড়া বেক্সিমকো ফার্মার সাড়ে ১১ কোটি ও ফার্মা এইডের সাড়ে ৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৪ শতাংশ বা ৫৩ কোটি টাকা। এ খাতের ৩৩ শতাংশ শেয়ারদর ইতিবাচক ছিল। এ খাতের আজিজ পাইপস দরবৃদ্ধির শীর্ষ তিনে অবস্থান করে। ইফাদ অটোসের ১৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। ব্যাংক খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ বা ৫১ কোটি টাকা। এ খাতের মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও এনসিসি ব্যাংক ছাড়া আর কোনো কোম্পানির দর বাড়েনি। তবে খাদ্য খাতের ৫৫ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। এপেক্স ফুড দরবৃদ্ধির শীর্ষ আটে অবস্থান করে। স্থানীয় বাজারে জুতো বাজারজাতকরণের জন্য কোম্পানিটি নতুন ইউনিট স্থাপন করবেÑএ খবরে লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের দর বেড়েছে ৪০ পয়সা।