তৃতীয় প্রান্তিকে আয় বেড়েছে বিএসসির

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ১২ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৬ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস ১২ পয়সা বেড়েছে। তিন প্রান্তিকে অর্থাৎ ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে এক টাকা সাত পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৭৮ পয়সা। ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ৫৩ টাকা ৭৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৫২ টাকা ৭০ পয়সা।
গতকাল শেয়ারদর দশমিক ৪৭ শতাংশ বা ২০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৪২ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৪২ টাকা ১০ পয়সা। দিনজুড়ে চার লাখ চার হাজার ১৪২টি শেয়ার মোট ৬৮৪ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর এক কোটি ৭১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। গত এক বছরে ৪১ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৬৩৪ টাকায় ওঠানামা করে।
৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছর ছিল ১২ শতাংশ বোনাস। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ৬২ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৫২ টাকা ৭০ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ৪৯ পয়সা ও ৬০ টাকা ৯৯ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে আট কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ছয় কোটি ৭২ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি। এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৫২ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ১৮৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। কোম্পানিটির প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ২৮ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে চার কোটি ৮৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৪০ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ২৪ পয়সা। দুই প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৭০ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল ৫৩ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ছয় কোটি ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত ৬৭ দশমিক ৯ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ২৯ দশমিক ৫১।
কোম্পানিটির মোট ১৫ কোটি ২৫ লাখ ৩৫ হাজার ৪০টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে সরকারের কাছে ৫২ দশমিক ১০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ২১ দশমিক ১০ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ২৬ দশমিক ৮০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।