তৃতীয় প্রান্তিকে আয় বেড়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি আয় ১৩ পয়সা বেড়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪০ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ১৩ পয়সা। তিন প্রান্তিকে অর্থাৎ ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৩১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা এক পয়সা। ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৫ টাকা ৫৭ পয়সা, যা আগের বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল ১৪ টাকা ২৬ পয়সা।
গতকাল ডিএসইতে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের শেয়ারদর তিন দশমিক ৩৫ শতাংশ বা এক টাকা ৩০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৪০ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩৯ টাকা ৯০ পয়সা। ওইদিন কোম্পানিটির তিন কোটি ৭৩ লাখ ৮৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ৯ লাখ ৩১ হাজার ৫৮৯টি শেয়ার মোট ৮৯১ বার হাতবদল হয়। ওইদিন শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৩৯ টাকা ৪০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৪১ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ২৮ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৫৩ টাকা ৩০ পয়সায় ওঠানামা করে।
২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছে এক টাকা ৮৫ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৭ টাকা ১১ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৩৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত বছরের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছরের সামন। এ সময় ইপিএস হয়েছে দুই টাকা এবং এনএভি ১৮ টাকা ৩২ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৯০ পয়সা ও ১৯ টাকা ৬০ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৩০ কোটি ৩০ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৪ কোটি এক লাখ ৯০ হাজার টাকা।
‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৪০০ কোটি টাকা বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ২১৮ কোটি ১৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে আছে ৭৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
কোম্পানিটির ২১ কোটি ৮১ লাখ ৬০ হাজার ৮১৬টি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৫১ দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ, সরকারের কাছে ২১ দশমিক ৮৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ১৩ দশমিক ৫১ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর দশমিক ১৭ শতাংশ ও বাকি ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে। চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইপিএস হয়েছে ৩৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ২৯ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস চার পয়সা বেড়েছে। চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১৪ টাকা ৫৯ পয়সা, যা আগের বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল ১৪ টাকা ২৬ পয়সা।