প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

দুই মাস পর বাজার মূলধন ফের চার লাখ কোটিতে

রুবাইয়াত রিক্তা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টানা ছয় কার্যদিবস সূচকের উত্থানে বাজার মূলধন ফের চার লাখ কোটি টাকার ঘর ছাড়িয়েছে। এর আগে সর্বশেষ গত ৮ এপ্রিল বাজার মূলধন চার লাখ কোটির ঘরে থাকলেও ধীরে ধীরে কমতে থাকে। টানা দুই মাস পর গতকাল ফের ডিএসইর বাজার মূলধন চার লাখ কোটিকে পৌঁছেছে। আসন্ন বাজেট পুঁজিবাজারবান্ধব হবে এমন প্রত্যাশা নিয়ে ফের পুঁজিবাজারে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা। এ কারণে ঈদের ছুটির পরে ধীরে ধীরে চাঙা হয়ে উঠছে বাজার। দৈনিক লেনদেন ৫০০ কোটি টাকার ঘরে পৌঁছেছে। ডিএসইর প্রধান সূচক সাড়ে পাঁচ হাজার পয়েন্টের দ্বারপ্রান্তে।
গতকাল প্রায় সব খাতেই শেয়ার কেনা হয়েছে। বিশেষ করে মাঝারি ও ছোট খাতগুলোতে শেয়ার কেনার প্রবণতা বেশি ছিল। বৃহৎ খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল প্রকৌশল ও ওষুধ ও রসায়ন খাত। অন্যদিকে ব্যাংক, বিমা, আর্থিক ও জ্বালানি খাতে বিক্রির প্রবণতা বেশি ছিল।
মোট লেনদেনের ১৪ শতাংশ বা প্রায় ৭৫ কোটি টাকা ছিল প্রকৌশল খাতে। এ খাতে ৯৫ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্রকৌশল খাতে মাত্র দুটি কোম্পানি দরপতনে ছিল। বিবিএস কেব্লসের সাড়ে ১৪ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে আড়াই টাকা। প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে কাসেম ইন্ডাস্ট্রিজ। ছয় শতাংশ বেড়ে ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১৪ শতাংশ। এ খাতে ৮৪ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। জেএমআই সিরিঞ্জের সাড়ে ২০ কোটি টাকা ও স্কয়ার ফার্মার সোয়া ১৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। কোম্পানি দুটির দর বেড়েছে যথাক্রমে ৩১ টাকা ও দেড় টাকা। বিমা খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে ৫৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে গ্লোবাল ও সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে লেনদেন হয় ১২ শতাংশ। এ খাতে ৫২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ইউনাইটেড পাওয়ারের সাড়ে ২৯ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে সাড়ে ছয় টাকা। খুলনা পাওয়ারের সাড়ে ১২ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় এক টাকা ৭০ পয়সা। ডরিন পাওয়ারের প্রায় ৯ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। বস্ত্র খাতে ৩৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে নিউ লাইন ক্লোথিং ও জাহিন স্পিনিং। এর মধ্যে নিউ লাইন ক্লোথিংয়ের সাড়ে ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়। সিরামিক, কাগজ ও মুদ্রণ, সেবা ও আবাসন, টেলিযোগাযোগ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল। এছাড়া বিবিধ, খাদ্য, চামড়া শিল্প, তথ্য ও প্রযুক্তি, সিমেন্ট, পাট খাতে একটি করে কোম্পানি দরপতনে ছিল।

ট্যাগ »

সর্বশেষ..