কোম্পানি সংবাদ

দ্বিতীয় প্রান্তিকে আরএকে সিরামিকের ইপিএস বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন, ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আরএকে সিরামিকস বাংলাদেশ লিমিটেড। আর গত বছরের তুলনায় এ বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে তিন পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৩৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৪ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস তিন পয়সা বেড়েছে। এছাড়া ২০১৯ সালের ৩০ জুন তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য হয়েছে ১৬ টাকা ২০ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩০ জুনে ছিল ১৬ টাকা ৬৮ পয়সা। আর এ প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৫৩ পয়সা, যেক্ষেত্রে আগের বছর একই সময় লোকসান ছিল ২২ পয়সা।
এদিকে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করে আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ) লিমিটেড। ওই সময় কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় দুই টাকা ২৯ পয়সা এবং ৩১ ডিসম্বেরে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৯৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৮৮ পয়সা ও ১৮ টাকা ২৫ পয়সা।
এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে শেয়ারদর অপরিবর্তিত থেকে প্রতিটি সর্বশেষ ৩১ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩১ টাকা ৩০ পয়সা। দিনজুড়ে ৩৮ হাজার ৪০০টি শেয়ার মোট ১৫৯ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ১১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৩১ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩১ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৩০ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৪৬ টাকা ৭০ পয়সায় ওঠানামা করে।
৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছে, যা আগের বছর ছিল ২০ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস। কোম্পানিটি ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। কোম্পানির ৬০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৪২৭ কোটি ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
কোম্পানিটির ৪২ কোটি ৭৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭০১টি শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৭২ দশমিক আট শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ১৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারী শূন্য দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ১২ দশমিক ৮৮ শতাংশ শেয়ার।

সর্বশেষ..