নেই পুঁজিবাজারে গতি ফেরানোর উদ্যোগ

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারের পতন অব্যাহত গতিতে চলছে। প্রতিদিনই সূচক পতনের পাশাপাশি লেনদেন কমে যাচ্ছে। আবার কখনও লেনদেন বাড়লেও শেয়ার বিক্রি করে দেওয়ার কারণে তা হচ্ছে। প্রতিদিনই পুঁজি হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। অবশেষে নিরুপায় বিনিয়োগকারীরা গতকাল রাস্তায় নেমে এসেছেন। তারা আরও বেশি লোকসানের ভয়ে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন। ফলে বাজারের পতন ত্বরান্বিত হচ্ছে। সরকার পুঁজিবাজার উন্নয়নে নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করলেও তার কোনো সুফলই পাচ্ছেন না বিনিয়োগকারীরা। বরাবরের মতো তাদের লোকসানের হিসাবই গুনতে হচ্ছে। তাই পুঁজিবাজার নিয়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের আগে এগুলো কতটা বাজারবান্ধব ও বাস্তবসম্মত সেগুলোও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে ভেবে দেখতে হবে। আর পুঁজিবাজারের এই দুঃসময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। কারণ বাজারের গতি ফেরাতে বা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে তাদের কোনো উদ্যোগ না থাকায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় ৬৮ পয়েন্ট সূচকের পতন হয়। লেনদেন ২০০ কোটির ঘরে রয়ে গেছে। গতকাল বাজার মূলধনও ফের তিন লাখ কোটির ঘরে নেমে এসেছে। মাত্র ৯ শতাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে, কমেছে ৮২ শতাংশের। প্রায় সব খাতে ‘রেড সিগন্যাল’ বা বিপদ সংকেত জ্বলতে দেখা গেছে। কেবল বিমা খাতে ২৩ শতাংশ ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ২২ শতাংশ শেয়ারদর ইতিবাচক ছিল। ব্যাংক, টেলিযোগাযোগ, পাট, সেবা ও আবাসন এবং চামড়া খাত পুরোপুরি নেতিবাচক অবস্থানে ছিল। দুর্বল ও স্বল্প মূলধনি কিছু কোম্পানির দর এক থেকে সাড়ে তিন শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।