ন্যাশনাল পলিমার গ্রুপ

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গ্রুপ ন্যাশনাল পলিমার। দেশজুড়ে ব্যবসা পরিচালনা করছে গ্রুপটি। সর্বোত্তম পেশাদারিত্বের মাধ্যমে গ্রাহককে উন্নত সেবা দিচ্ছে তারা।

ন্যাশনাল পলিমারের যাত্রা শুরু ১৯৮৭ সালের জুনে। বর্তমানে বেশ কয়েকটি খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে তারা। গ্রাহকের জন্য উন্নতমানের ইউপিভিসি, পিপি-আর ও সিপিভিসি পাইপ সরবরাহ করছে। একই সঙ্গে ফিটিংস, পিভিসি ডোর, শিট ও সিলিংসহ প্লাস্টিকের ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র তৈরি করছে। পণ্যের বৈচিত্র্য রক্ষায় সচেষ্ট এই গ্রুপটি।

গ্রুপটির প্রধান অফিস রাজধানীর গুলশানে। মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী পণ্য প্রস্তুত করে ন্যাশনাল পলিমার। তাদের তৈরি পাইপ অধিক পানির চাপ সহনশীল। এখানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই পণ্য উৎপাদন করা হয়।

 

পণ্য

ইউপিভিসি পাইপ অ্যান্ড ফিটিংস

পিপিআর পাইপ অ্যান্ড ফিটিংস

সিপিভিসি পাইপ অ্যান্ড ফিটিংস

ইউপিভিসি ডোর, শিট ও সিলিং

গৃহস্থালি সামগ্রী

প্লাস্টিক ফার্নিচার

গৃহস্থালি সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ক্লাসিক জগ, জুস জগ, প্রিন্টেড টুল, ফুড বক্স, টিফিন বক্স, প্রিন্টেড কফি মগ, মগ, গামলা, বাটি, গ্লাস, ফ্লাওয়ার গ্লাস, বালতি, ঝুড়ি, কনটেইনার, ওয়াশিং নেট, পেন হোল্ডার, গ্লাস স্ট্যান্ড, চপিং বোর্ড, টি ট্রে, স্পাইস জার, ফুডকভার, সোপকেস, কিচেন র‌্যাক, চেয়ার, টেবিল প্রভৃতি। আরও রয়েছে কয়েল পাইপ, সাকশন হাউজ পাইপ, সলভেন্ট সিমেন্ট, টিস্যু হোল্ডার, টিউবওয়েল প্রভৃতি। সব ধরনের পণ্য গুণগত মানে অনন্য। ফলে গ্রাহকদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে এসব পণ্য। অল্প সময়ে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করেছে সব ধরনের পণ্য। শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের সবখানে তাদের পণ্য সরবরাহ করা হয়। দেশের চাহিদা মিটিয়ে ভারত ও নেপালে রফতানি করা হয় ন্যাশনাল পলিমারের পণ্য।

করপোরেট গ্রাহক

হোটেল র‌্যাডিসন

ফ্যান্টাসি কিংডম

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

বসুন্ধরা সিটি

স্কয়ার হসপিটাল

হোটেল সি প্যালেস

ঢাকা ইপিজেড

ঢাকা ওয়াসা

ব্যবসার পাশাপাশি নানা ধরনের সমাজ-সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করে থাকে ন্যাশনাল পলিমার গ্রুপ। প্রায়ই সেমিনারের আয়োজন করে তারা। ২০১৭ সালের মে মাসে ‘পরিবেশবান্ধব টেকসই নগর ও আবাসন পরিকল্পনা’ শীর্ষক সেমিনার ও মুক্ত আকাশ সম্মাননা দেয় গ্রুপটি। ন্যাশনাল পলিমার, বিআরএমসিএ ও মুক্ত আকাশ সম্মিলিতভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রকৌশলীরা অংশ নেন। এর আগে বিপিইআরবি ও মুক্ত আকাশ-এর সঙ্গে ন্যাশনাল পলিমার আয়োজন করে ‘গ্রামীণ-নগরীয় আবাসন: বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনার ও মুক্ত আকাশ সম্মাননা ২০১৬।

পরিচালনা পর্ষদ

ন্যাশনাল পলিমার গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মোরশেদ। তিনি পারিবারিক ব্যবসার হাল ধরেন অল্প বয়সে। বাংলাদেশের প্লাস্টিক ও পিভিসি খাতে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে ন্যাশনাল পলিমারের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে চলেছেন।

ব্যবস্থাপনা টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন রিয়াদ মাহমুদ। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিন থেকে ১৯৯৪ সালে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি সম্পন্ন করেন। ১৯৯৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়ালেখা সম্পন্ন করে সিডনি, লন্ডন ও নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন সংস্থায় উচ্চপদে কাজ করেন। ২০০৭ সালে ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদে যোগ দেন। ২০০৯ সাল থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ব্যবসার বিকাশে তার ভূমিকা রয়েছে। ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত আছেন। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস বিভাগে শিক্ষকতা করছেন দীর্ঘদিন। ন্যাশনাল পলিমার গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদে আরও রয়েছেন মো. রফিকুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান সাজিদ ও জামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।

দক্ষ ও কর্মঠ কর্মিবাহিনীর সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ন্যাশনাল পলিমার গ্রুপের জনশক্তি। গ্রুপটি কর্মীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ উপহার দিয়ে আসছে। নিরাপদ কর্মস্থল হিসেবে সুনাম রয়েছে এই গ্রুপের। যথাসময়ে কর্মীদের সব ধরনের চাহিদা মিটিয়ে থাকে ওই প্রতিষ্ঠান। সঙ্গত কারণে কর্মপরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট সব কর্মী।

 

‘গুণগত মানে প্রাধান্য দিয়ে থাকে ন্যাশনাল পলিমার। গ্রাহকের জন্য সেরা পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ করে থাকি। এজন্য আমাদের কর্মীরা তাদের সেরা দক্ষতা দেখিয়ে থাকেন। তাই কর্মীদের মানোন্নয়নসহ তাদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ আমরা। এই ধারা বজায় রেখে দেশ ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে ন্যাশনাল পলিমার গ্রুপ।’

রিয়াদ মাহমুদ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক

 

রতন কুমার দাস