প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

পতনের শীর্ষে বিমা ও টেলিযোগাযোগ খাত

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারের জন্য পূর্বঘোষিত বেশকিছু প্রণোদনায় সংশোধন এনে গতকাল জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের বাজেট পাস হয়েছে। পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ব্যক্তি এসব প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেও বাজারে তার কোনো প্রভাব নেই। বরং বিক্রির চাপ বেড়েছে। আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে মোট লেনদেন ৫০০ কোটির ঘর ছাড়ালেও গতকাল তা ৪০০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। কমেছে বেশিরভাগ শেয়ারের দর। বস্ত্র, ওষুধ ও রসায়ন ছাড়া সব খাতেই ছিল বিক্রির চাপ। তবে বিক্রির চাপ সর্বাধিক ছিল বিমা ও টেলিযোগাযোগ খাতে। এছাড়া আর্থিক, খাদ্য ও চামড়াশিল্প খাতেও বিক্রির চাপ তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। গতকাল ডিএসইতে ৪৯ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। বেড়েছে ৩৫ শতাংশের দর।
লেনদেনে এগিয়ে ছিল বস্ত্র খাত। এ খাতে লেনদেন হয় মোট লেনদেনের ১৮ শতাংশ, বা ৮২ কোটি টাকা। বস্ত্র খাতে ৪৯ শতাংশ কোম্পানির দর ইতিবাচক ছিল। প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে এইচআর টেক্সটাইল। এছাড়া আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং, প্রাইম টেক্সটাইল ও সায়হাম টেক্সটাইল দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। কাট্টলি টেক্সটাইলের পৌনে আট কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ২০ পয়সা। জেনেক্স ইনফোসিসের সাড়ে সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৭০ পয়সা। এরপরে ১৬ শতাংশ লেনদেন হয় প্রকৌশল খাতে। এ খাতে ৩৯ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। সিঙ্গার বিডির সাড়ে ১৫ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে এক টাকা ৩০ পয়সা। ন্যাশনাল পলিমারের সোয়া ১৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে দুই টাকা। রানার অটোর সোয়া ১১ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ৫০ পয়সা। বিবিএস কেব্লসের প্রায় আট কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৩০ পয়সা। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে ৫৬ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্রায় পাঁচ শতাংশ বেড়ে একমি ল্যাব দরবৃদ্ধিতে চতুর্থ অবস্থানে উঠে আসে। প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি টাকা লেনদেন হয় স্কয়ার ফার্মার। শেয়ারটির দর বেড়েছে এক টাকা ২০ পয়সা। জেএমআই সিরিঞ্জের প্রায় ৯ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে আট টাকা ৮০ পয়সা। গতকাল বিমা খাতে ১০ শতাংশ লেনদেন হলেও ৮৯ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। দরপতনের শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় ৬০ শতাংশ ছিল বিমা খাতের। টেলিযোগাযোগ খাত শতভাগ নেতিবাচক ছিল। এ খাতের বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্লসের সাড়ে ২২ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে এলেও আট টাকা দরপতন হয়। এছাড়া ব্যাংক খাতে ৪২ শতাংশ ও আর্থিক খাতে ৬৫ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। মিউচুয়াল ফান্ড খাত তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল। দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে তিনটি ফান্ড।

 

ট্যাগ »

সর্বশেষ..