পুঁজিবাজারের স্বার্থেই হোক তালিকাচ্যুতির সিদ্ধান্ত

জাহিরুল ইসলাম: চলতি বছরের জুলাইয়ের ১৮ তারিখে জেড ক্যাটাগরির রহিমা ফুড ও মডার্ন ডায়িং অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিংকে তালিকাচ্যুত করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে, কোম্পানি দুটির উৎপাদন কিংবা ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। নিকট ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠান দুটি ব্যবসার কার্যক্রম শুরু করবে, সে সম্ভাবনাও কম। এর পরিপ্রেক্ষিতেই দেশের পুঁজিবাজারের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় কোম্পানি দুটিকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসই। বলে রাখা ভালো, তালিকাচ্যুত হওয়ার দিন পর্যন্ত রহিমা ফুডের শেয়ার দর ছিল ১৭৪ টাকা ৭০ পয়সা। এ কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ ছিল ২০১৩ সালের ১৩ জুন থেকে। মাসতিনেক আগেও প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে ১৩৫ টাকায়। অন্যদিকে মডার্ন ডায়িং অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিংয়ের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে ২০১০ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে। তালিকাচ্যুত হওয়ার দিনেও কোম্পানিটির শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে ৩২৬ টাকা ৩০ পয়সায়। বছর খানেক আগে এ কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল ২৩৮ টাকা।
স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, যে কোম্পানির উৎপাদন এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যক্রম পাঁচ থেকে আট বছর ধরে বন্ধ, যে প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর এজিএম করে না কিংবা শেয়ারহোল্ডারদের মুনাফা দেয় না; এত উচ্চমূল্যে তার শেয়ার হাত বদল হওয়ার বিষয়টি কি অস্বাভাবিক ছিল না? শুধু এ দুটিই নয়, আমাদের পুঁজিবাজারে জেড ক্যাটাগরিতে থাকা আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দেখা যায় এর চেয়েও বেশি কিংবা কাছাকাছি মূল্যে হাতবদল হতে। মাঝেমধ্যে কোনোটি চলে আসে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায়। তখন মনে প্রশ্ন যেমন জাগে, তেমনি শঙ্কাও গভীর হয়। বোঝা যায়, প্রচলিত বিধানের মধ্যে থেকেই এই ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানের শেয়ার নিয়ে কারসাজি করছেন কেউ কেউ।
বিশেষজ্ঞরা সব সময় পরামর্শ দিয়ে থাকেন, যে কোম্পানিতে বিনিয়োগ করছেন বাৎসরিক প্রতিবেদনে জোগানো তথ্যের বাইরেও বাজারে গিয়ে দোকানি কিংবা ক্রেতার কাছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও তার পণ্য কিংবা সেবার মানের ব্যাপারে বাড়তি কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে। তাতে কোম্পানিটির আর্থিক বিষয়ে প্রদত্ত তথ্যের সঠিকতা যাচাইয়ের পাশাপাশি ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে মানুষের মনোভাবও জানা যায়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নীতিনির্ধারকরা যদি ভবিষ্যতে ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকেন, তার ফল কী হতে পারে সে ব্যাপারেও পাওয়া যায় সম্যক ধারণা। বস্তুত এটা কোম্পানির ভবিষ্যত সম্পর্কে অনুমান করার অন্যতম উপায়। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যদি রহিমা ফুড কিংবা মডার্ন ডায়িং অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিংয়ের জোগানো তথ্যের বাইরে বাজার বাস্তবতা যাচাই করতেন, তাহলে এ দুই কোম্পানির শেয়ার দরে এতটা উল্লম্ফন কি হতো?
কোম্পানির উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পরিস্থিতি এবং মৌলভিত্তির দিকে দৃষ্টিপাত না করেই যারা শুধু ক্যাপিটাল গেইনের জন্য পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেন, তাদের জন্য উল্লিখিত দুই কোম্পানির শেয়ার যে আকর্ষণীয় ছিল, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। সময়ের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠান দুটির শেয়ার দরে যে উল্লম্ফন হয়েছে এবং মোট হাতবদল হওয়া শেয়ারের চিত্র দেখলেই তা স্পষ্ট হয়। সন্দেহ নেই, এ ধরনের কোম্পানির শেয়ারের হাতবদল কোনো কোনো দিন সার্বিকভাবে বাজারের টার্নওভার বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, তাতে বাজারের বৃহত্তর স্বার্থ সুরক্ষা হয়নি। কার্যত অচল কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজিতে জড়িত একটি দল যেমন লাভবান হয়েছে, তেমনি কেউ কেউ হয়েছে সর্বস্বান্ত। দ্রুত মুনাফা পাওয়ার আশায় এ ধরনের কোম্পানির শেয়ার কিনে তাদের কেউ কেউ শুধু পুঁজিই হারাননি; পুঁজিবাজারের প্রতি তাদের সৃষ্টি হয়েছে নেতিবাচক মনোভাব। চিড় ধরেছে আস্থায়।
বস্তুত, কোম্পানি দুটিকে তালিকাচ্যুত করার পর নানা প্রশ্ন শোনা যাচ্ছে বাজারে। এসবের অন্যতম হলো, এ দুই কোম্পানির শেয়ার যাদের কেনা ছিল, তাদের এখন কী হবে? হঠাৎ করেই দুটি কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কি বাড়তি ভীতি সৃষ্টি হবে না? এ অবস্থায় দেশের ব্যাংক খাতে মুনাফার মন্দায় পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগ আসার যে অনুমান বিশেষজ্ঞরা করছিলেন, তা কি আদৌ সত্য হবে? এর বাইরেও যে অনুমান করা হচ্ছিল তা হলো, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারের ব্যাপারে আরও বেশি সতর্ক হবেন বিনিয়োগকারীরা। আরও স্পষ্টভাবে বললে, ওসবের চাহিদা ও দাম ক্রমে কমে আসবে। আমরা দেখেছি, ডিএসই এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার অব্যবহিত পর থেকে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি বিশেষত জেড ক্যাটেগরিতে থাকা প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমতে শুরু করেছে। লোকসানি মূল্যে বিক্রি করে হলেও ওইসব শেয়ার থেকে বেরিয়ে আসতে চাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। বলা যায়, রহিমা ফুড ও মডার্ন ডায়িং অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিংকে তালিকাচ্যুত করার মাধ্যমে ডিএসই বাজারে যে বার্তা দিতে চেয়েছে, সেটাকে সঠিকভাবেই নিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
এ পরিস্থিতিতে বুধবারের শেয়ার বিজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্বল মৌলভিত্তি সম্পন্ন এমন আরও ৩০টি কোম্পানিকে নজরদারিতে রেখেছে ডিএসই। এর মধ্যে ১৩টি কোম্পানিকে চিঠি দিয়ে তাদের বর্তমান পরিস্থিতি, লভ্যাংশ প্রদান, উৎপাদন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। অন্য ১৭টি কোম্পানিকে রাখা হয়েছে নিবিড় তদারকিতে। সেগুলোকেও পর্যায়ক্রমে নোটিস দেওয়া হবে এবং সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। এটা ঠিক, আমাদের পুঁজিবাজারে যেসব কারসাজির ঘটনা ঘটে, তার সিংহভাগই হয়ে থাকে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি ঘিরে। এসবের মাধ্যমে কারসাজি করা তুলনামূলক সহজ বলেও মনে করেন কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ। কয়েক দিন আগে সংবাদপত্রের এক প্রতিবেদনে লক্ষ করেছি, বাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়ে এসব কোম্পানি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয় না। এর পেছনে তাদের উদ্দেশ্যই থাকে বিধিবদ্ধ উপায়ে কিছু কর রেয়াত নেওয়া। আর কারসাজি করে রাতারাতি যদি আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়া যায়, তাহলে তো সোনায় সোহাগা! এতে সরকার শুধু রাজস্বই হারায় না, সার্বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। আমাদের পুঁজিবাজারে আকার বৃদ্ধির স্বার্থে আরও নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, সন্দেহ নেই। কিন্তু কোনো কোম্পানিকে তালিকাভুক্তির সময় তার মৌলভিত্তি, উৎপাদন ও সার্বিকভাবে তার ব্যবসায়িক কার্যক্রমের প্রতি যদি দৃষ্টিপাত করা না হয়, এটা তাহলে বাজারের জন্য শঙ্কা বৃদ্ধি করবে।
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবশ্য শেয়ার বিজকে বলেছেন, তারা এখনই কঠিন কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। যেসব কোম্পানিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে, তারা কী রকম জবাব দেয়; সেই পরিপ্রেক্ষিতেই নেওয়া হবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত। এক্ষেত্রে এটা মনে রাখা জরুরি, বিদ্যমান বাস্তবতায় কোনো কোম্পানি ডিএসইর পত্রের জবাবে এমন তথ্য প্রদান করবে না, যা সংস্থাটিকে অসন্তুষ্ট করে। তারা বরং স্বভাবতই চাইবে, বিনিয়োগকারীর পরিবর্তে নিজেদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে। এজন্য ডিএসইর উচিত হবে, সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো যে জবাবই দিক না কেন, তাদের একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া। এরপর প্রয়োজনীয় শর্ত পরিপালন করতে না পারলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা। তাহলে কিছু বিনিয়োগকারী হয়তো সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কিন্তু সার্বিকভাবে এতে পুঁজিবাজারের বৃহত্তর স্বার্থ সুরক্ষা হবে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেড ক্যাটেগরিতে থাকা কোম্পানির শেয়ারের দৌরাত্ম্য কিছুটা হলেও কমবে। কর্তৃপক্ষের দুর্বল তদারকি ও কারসাজির সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণে কালক্ষেপণের অভিযোগে যারা শেয়ারবাজার বিমুখ হয়েছিলেন, তারাও ফিরতে পারেন বাজারটিতে। এতে সার্বিকভাবে বাজার মূলধন সাময়িকভাবে কিছুটা কমলেও বিনিয়োগকারীরা ফিরে আসায় এবং বাজারে নতুনদের আগমন ঘটায় তা কম সময়েই কাটিয়ে ওঠা কিছুটা হলেও সম্ভব হবে।
এটা ঠিক, পুঁজিবাজার থেকে কোনো কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করার নজির আগেও রয়েছে। তখনও কিছু বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সাময়িকভাবে বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাবও পড়েছে এবং একসময় স্বাভাবিক হয়েছে পরিস্থিতি। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে বলে মনে হয় না। এর আরেকটি কারণ হলো, ব্যাংক খাতে প্রদত্ত নির্দিষ্ট হারের মুনাফার প্রতি মানুষের আকর্ষণ একসময় যেমন ছিল, এখন তেমনটি নেই। আমানতের বিপরীতে মুনাফার হার কমে আসায় সঞ্চয়কারীরা স্বভাবতই খুঁজছেন উত্তম বিকল্প। তাদের হাতে পুঁজিবাজারের বাইরে উত্তম বিকল্প থাকলেও বেশ কিছু কারণে অনেকেই যে নিজের পুঁজি নিয়ে সেদিকে অগ্রসর হবেন না, তা হলফ করেই বলা যায়। এ অবস্থায় কিছুটা সময় নিয়ে হলেও নিবিড় নজরদারিতে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোরতম মনোভাব দেখানোর সিদ্ধান্তই সঠিক হবে বলে মনে হয়।
প্রকৃতপক্ষে পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত দেশীয় আইন ও বিধান আগের তুলনায় এখন সুসংহত। নিয়ন্ত্রক সংস্থার মনোভাবও অনেকটা কঠোর। এ পরিস্থিতি অবশ্যই ইতিবাচক। তবে কথা হলো, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিয়েই ডিএসইর বসে থাকলে চলবে না। মনে রাখা দরকার, সংস্থাটির এমন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যেসব বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তারা যাতে সেটি পুষিয়ে নিতে পারেন; সে ব্যাপারেও নিয়ন্ত্রক সংস্থার থাকতে হবে উপযুক্ত পদক্ষেপ। ডিএসই এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে যাদের মনে ভীতি সঞ্চার হলো, তাদের আস্থা ফেরানো খুব সহজ হবে না। এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার উচিত হবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির উদ্যোগগুলো নতুনভাবে চালু করা। এও মনে রাখা চাই, পুঁজিবাজারের ব্যাপারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ভীতি যদি কাটানো না যায়, তাহলে বাজারটিতে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়বে। সেক্ষেত্রে কাঠামোগতভাবে নেওয়া পদক্ষেপগুলো অনেক ক্ষেত্রেই হয়ে পড়বে অকার্যকর।
অস্বীকার করা যাবে না, দুটি কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করায় কিছু বিনিয়োগকারী হয়তো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কিন্তু এর মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজারের বৃহত্তর স্বার্থ সুরক্ষা হবে। বিশেষজ্ঞরা প্রায়ই বলেন, জাতীয় অর্থনীতির আকার যেভাবে বাড়ছে, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন সেভাবে হচ্ছে না। মানের দিক থেকে তো নয়ই, আকারের দিক থেকেও। এর অন্যতম কারণ হলো, আমাদের বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা সেভাবে নেই। আরেকটি কারণ, ক্যাপিটাল মার্কেট থেকে যেসব প্রতিষ্ঠানের পুঁজি সংগ্রহের কথা, তারা এটি সংগ্রহ করছে ব্যাংক খাত থেকে। এতে বড় ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে ব্যাংক খাত যেমন দুর্বল হয়ে পড়ছে, তেমনি অবিকশিত থেকে যাচ্ছে পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা। এজন্য পুঁজিবাজার বিষয়ক যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে এ বাজারের বৃহত্তর স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই। চূড়ান্তভাবে এর ইতিবাচক ফল কিন্তু ভোগ করবেন বাজারটিতে বিনিয়োগকারীরাই। এজন্য প্রত্যাশা থাকবে, বিভিন্ন খাতের যে ৩০টি কোম্পানিকে নিবিড় নজরদারিতে রাখা হয়েছে, তাদের ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে। সংশ্লিষ্ট সবার এ কথা মনে রাখা ভালো, বৃহত্তরের জন্য ক্ষুদ্র স্বার্থ পরিত্যাগ করাই সুবিবেচনার পরিচায়ক।

ব্যাংক কর্মকর্তা
[email protected]