প্রচ্ছদ শেষ পাতা

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের আয় বেড়েছে ৯৮ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল তৃতীয় প্রান্তিকে আয় বৃদ্ধির চমক দেখিয়েছে। এ সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ৯৮ শতাংশ। চলতি হিসাববছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের (তৃতীয় প্রান্তিক) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এতে দেখা যায়, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে শূন্য দশমিক ৯২ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল শূন্য দশমিক ৪৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে শূন্য দশমিক ৪৫ পয়সা।
এদিকে গত ৯ মাসে (জুলাই ’১৮-মার্চ ’১৯) এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে দুই টাকা ১২ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল এক টাকা ২০ পয়সা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে শূন্য দশমিক ৯২ টাকা বা ৭৬.৬৬ শতাংশ। এছাড়া কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ২৩ পয়সা।
জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা বৃদ্ধির পাশাপাশি পাওয়ার প্লান্ট থেকে আসা আয় যোগ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক অবস্থায় এ ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
বিষয়টি প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠান সচিব মো. রবিউল ইসলাম শেয়ার বিজকে বলেন, ‘আমাদের টেক্সটাইল ব্যবসা আগের চেয়ে বেড়েছে। অন্যদিকে ২০০ মেগাওয়াটের পাওয়ার প্লান্ট থেকে আসা আয়ও মূল কোম্পানিতে যোগ হয়েছে। যে কারণে আমাদের আয় বেড়েছে। আশা করছি, ভবিষ্যতে এ ধারার আরও উন্নতি হবে।’
এদিকে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, কয়েক বছর ধরে মুনাফা বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রেখেছে কোম্পানিটি। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানের মুনাফা হয় ২৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এর আগের বছর যার পরিমাণ ছিল ২২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। ২০১৬ সালে এ প্রতিষ্ঠানের মুনাফা ছিল ২০ কোটি ১৬ লাখ টাকা।
অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০১৮ সালে তারা শেয়ারহোল্ডারদের সাত শতাংশ নগদ এবং পাঁচ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদান করে। এর আগের বছর কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তাদের শেয়ারহোল্ডারদের পাঁচ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়।
বস্ত্র খাতের এ প্রতিষ্ঠানের গত এক বছরের লেনদেন চিত্র লক্ষ করলে দেখা যায়, এ সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের শেয়ার নিম্ন ৪১ টাকা ৯০ পয়সা এবং সর্বোচ্চ ৭৫ টাকায় লেনদেন হয়।
এদিকে গতকাল প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার ৬৩ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৬৪ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন ৫৩ টাকা ৫০ পয়সায়। এদিন ৪৫০ হাওলায় প্রতিষ্ঠানটির মোট শেয়ার লেনদেন হয় তিন লাখ ৭৫ হাজার ২০৪টি।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া এ প্রতিষ্ঠানের মোট শেয়ারের মধ্যে ৬০ দশমিক ৭৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে পরিচালকদের কাছে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ২৫ দশমিক ৭০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে এবং তিন দশমিক ৫১ শতাংশ ধারণ করছেন বিদেশিরা।

সর্বশেষ..