প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে কাজ করার পূর্বপ্রস্তুতিমূলক অবস্থান সিএফও’

একটি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন বিভাগ-প্রধানের সাফল্যের ওপর নির্ভর করে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও’র সফলতা। সিইও সফল হলে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা বেশি হয়। খুশি হন শেয়ারহোল্ডাররা। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে সিইও’র সুনাম। প্রতিষ্ঠানের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও), কোম্পানি সচিব, চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসার, চিফ মার্কেটিং অফিসারসহ এইচআর প্রধানরা থাকেন পাদপ্রদীপের আড়ালে। টপ ম্যানেজমেন্টের বড় অংশ হলেও তারা আলোচনার বাইরে থাকতে পছন্দ করেন। অন্তর্মুখী এসব কর্মকর্তা সব সময় কেবল প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ব্যস্ত থাকেন। সেসব কর্মকর্তাকে নিয়ে আমাদের নিয়মিত আয়োজন ‘টপ ম্যানেজমেন্ট’। শেয়ার বিজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এবার সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ও মহাব্যবস্থাপক সুভাষ চন্দ্র দাস, এফসিএমএ, এফসিএ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মো. হাসানুজ্জামান পিয়াস

সুভাষ চন্দ্র দাস, এফসিএমএ, এফসিএ সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ও মহাব্যবস্থাপক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। পরে সম্পন্ন করেন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি ও কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্সি পেশাগত ডিগ্রি। তিনি দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) ও ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএমএবি) সম্মানিত ফেলো

শেয়ার বিজ: ক্যারিয়ার গড়ার পেছনের গল্প দিয়ে শুরু করতে চাই

সুভাষ চন্দ্র দাস: ১৯৯৭ সালে ঢাকা কমার্স কলেজে শিক্ষকতার মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করি। তিন বছর শিক্ষকতার পর ২০০০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর হিসেবে যোগ দিই। ২৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও পছন্দমত ক্যাডার না পাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকে থেকে যাই। ২০০৫-০৭ সময়ে আইসিএমএবি থেকে কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্সি পেশাগত ডিগ্রি নিই। এরপর লিয়েনে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের একটি প্রজেক্ট বাংলাদেশ মিউনিসিপেল ডেভেলপমেন্ট ফান্ডে (বিএমডিএফ) ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট ও পরবর্তী সময়ে ফাইন্যান্স ম্যানেজার হিসেবে কাজ করি। পরে সিএ পড়ার জন্য শিক্ষা ছুটি নিই। দুবছরের মধ্যে সিএ শেষ করে আবার বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ দিই। ২০১১ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লিয়েন নিয়ে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে সিনিয়র ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে যোগদান করি। এরপর ২০১৩ সালে লিয়েন বলে জেনারেল ম্যানেজার (অডিট) হিসেবে জনতা ব্যাংকে যোগ দিই। ২০১৪ সালের অক্টোবর হতে সোনালী ব্যাংকের সিএফও এবং জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

 শেয়ার বিজ: পেশা হিসেবে ফাইন্যান্সকে কেন বেছে নিলেন?

সুভাষ চন্দ্র দাস: ফাইন্যান্স পেশায় ক্যারিয়ার গড়বÑএমন পরিকল্পনা শুরুতে ছিল না। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে বাণিজ্যে চলে আসায় ফাইন্যান্স পেশাকে বেছে নেওয়ার ইচ্ছা জাগে। তাছাড়া যে কোনো প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যথাযথ আর্থিক ব্যবস্থাপনা নীতি প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের ওপর প্রতিষ্ঠানের সফলতা বহুলাংশে নির্ভর করে। যেহেতু আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সফলতার পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে ফাইন্যান্স; তাই এ পেশা বেছে নেওয়া।

 শেয়ার বিজ: প্রতিষ্ঠানে দক্ষ ফাইন্যান্স কর্মকর্তার ভূমিকা গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে চাই

সুভাষ চন্দ্র দাস: একজন সিইওর পক্ষে প্রতিষ্ঠানের সব দিক এক সঙ্গে দেখা সম্ভব নয়। ফাইন্যান্স প্ল্যানিং, বাজেটিং, কস্ট কন্ট্রোল, নতুন আয়ের খাত সৃষ্টি, ব্যবসায় নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করা, নতুন পণ্য এবং সেবার কস্ট বেনিফিট পর্যালোচনা ও এসব বিষয় নিয়ে কাজ করে। তাই এ সেক্টরে দক্ষ ও কার্যকর সিএফও থাকলে প্রতিষ্ঠানের সফলতার সম্ভাবনাগুলো অনুসন্ধান করে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়। তাই বলা যায় প্রতিষ্ঠানে দক্ষ ফাইন্যান্স কর্মকর্তার ভূমিকা ও গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

শেয়ার বিজ: ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট (এফআরএ) প্রতিষ্ঠানের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন?

সুভাষ চন্দ্র দাস: এফআরএ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে করপোরেট গভর্নেন্স ইস্যুতে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। যারা করপোরেট গেটকিপার বা রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে, তার মধ্যে একটি হচ্ছে বহির্নিরীক্ষক বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) ফার্ম। কোনো প্রতিষ্ঠানের বহির্নিরীক্ষায় সিএ ফার্ম কোনো কারণে ভালো ভূমিকা পালন না করতে পারলে বিনিয়োগকারীসহ শেয়ারহোল্ডাররা ক্ষতিগ্রস্ত হন। আমি বলব না সিএ ফার্মগুলো তাদের দায়িত্ব পালন করছে না; তবে তাদের মনিটরিং যদি আরও ভালো হয়, তাহলে ভ্যালু অ্যাড করবে। তাই এফআরএ বাস্তবায়িত হলে প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীর জন্য ভালো হবে। কারণ সিএ ফার্মগুলো আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। স্বার্থ জলাঞ্জলির সুযোগ কমে যাবে। যদিও প্রতিষ্ঠানের কিছু খরচ বাড়বে। কারণ আমাদের দেশে অডিট ফার্মগুলোর পারিশ্রমিক অত্যন্ত কম। এফআরএ’র মাধ্যমে সবাই সুবিধা পাবেন। দেশ যত এগিয়ে যাবে, ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসি, অ্যাকিউরেসি, ট্রান্সপারেন্সি, অ্যাকাউন্ট্যাবিলিটি প্রভৃতি তত বেশি দরকার। আর এটা নিশ্চিত করতে এফআরএ সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার বিজ: বাংলাদেশের করনীতিকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

সুভাষ চন্দ্র দাস: করপোরেট করের বিষয়টি নিয়ে আরও চিন্তার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে যারা কর দেন, তাদের ওপর বেশি কর চাপিয়ে দেওয়া হয়। আমার মনে হয় এর পুনর্মূল্যায়ন দরকার। দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাত সবচেয়ে শৃঙ্খলাবদ্ধ খাত; অথচ এ খাতের করের হার সর্বোচ্চ। ব্যাংকের মধ্যে যারা বিনামূল্যে ও নামমাত্র মূল্যে সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়, অর্থাৎ যারা ম্যাস ব্যাংকিং করে, তাদের করহারে ইনসেনটিভ দিয়ে ক্লাস ব্যাংকিং যারা করে, তাদের থেকে আলাদাভাবে সুবিধা দেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানের সত্যিকার পারফরমেন্স মূল্যায়ন করা সম্ভব। এতে সরকারের আয়ও বাড়বে। ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্টের ক্ষেত্রে এনবিআরের একটি ভুল ধারণা আছে, তারা মনে করে বড় রকমের অ্যাসেসমেন্ট করলেই আয় বাড়বে। প্রায়ই ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের করা কর দায় হিসাবের সঙ্গে তাদের বড় রকমের মতভেদ থাকে। ফলে তা মামলা পর্যন্ত বর্তায় এবং সর্বশেষ হাইকোর্ট পর্যায়ে নিষ্পত্তি হতে দীর্ঘ কালক্ষেপণ হয়। এতে ব্যাংকগুলোকে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়। আবার সরকারও আয় থেকে বঞ্চিত হয়। সরকারের উচিত, করহার কমিয়ে করের আওতা ও পরিধি বাড়ানো এবং কর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আরও সহজ করা। কর কর্তৃপক্ষকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও ইউজার ফ্রেন্ডলি করা সম্ভব হলে করের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।

শেয়ার বিজ: বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর বিদেশি সিএ ফার্মের সহযোগিতা নেওয়ার প্রবণতা বেশি কেন?

সুভাষ চন্দ্র দাস: অনেক সময় প্যারেন্টস কোম্পানির আবশ্যিক শর্তের জন্য বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অডিট বা অন্য কাজ বিদেশি সিএ ফার্মের মাধ্যমে করা হয়। বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মাদার কোম্পানিকে অনুসরণ করতে চায়। মাদার কোম্পানি যে সিএ ফার্মের সহায়তা নেয়, সে ফার্মের মাধ্যমেই তারা গ্রুপের সব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে চায়। তাছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশে কাজ করছে এমন ফার্মের সহযোগিতা নিতে চায় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো। বিভিন্ন দেশে এসব অডিট ফার্মের শাখা রয়েছে। সংগত কারণে এমন ফার্মের মাধ্যমে সব দেশে অডিটের কাজ করা হলে কো-অর্ডিনেশন সুন্দর হয়। অডিটও ফলপ্রসূ হয়। তাছাড়া বিশ্বের বড় ফার্মগুলো যেমন কেপিএমজি, আর্নেস্ট অ্যান্ড ইয়ং, ডেলোটি এবং পিডব্লিউসির ওপর বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডাররা বেশি আস্থাশীল। যদিও আমাদের দেশি ফার্মগুলোও অনেক ভালো কাজ করে।

 শেয়ার বিজ: ব্যাংক সেক্টরে একজন সিএফওর জন্য চ্যালেঞ্জিং বিষয় কী?

সুভাষ চন্দ্র দাস: সব কাজেই চ্যালেঞ্জ রয়েছে।এ পেশাও ব্যতিক্রম নয়। সময়ের সঙ্গে আইন-কানুন, তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যবসার পরিবেশ-পরিস্থিতি পরিবর্তিত হচ্ছে, যা এ পেশার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একজন ফাইন্যান্স কর্মকর্তার অন্যতম বড় দায়িত্ব হচ্ছে যাবতীয় লিগ্যাল ও রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স কমপ্লাই করে যথাযথ ঝুঁকি ব্যবস্থপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন ও সম্পদ বৃদ্ধি নিশ্চিত করা। আর প্রতিষ্ঠানের ফাইন্যান্সিয়াল কমপ্লায়েন্সগুলো কমপ্লাই করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়া বিনিয়োগের ক্ষেত্র নির্ধারণ, অর্থের উৎস নির্বাচন, সর্বোপরি বিনিয়োগের উপযোগিতা নির্ধারণ করাটাও কম চ্যালেঞ্জের নয়। একজন সিএফওকে কমপক্ষে তিন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। এক. যথাযথ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাসহ যাবতীয় আর্থিক নিয়ম-কানুন বা কমপ্লায়েন্স কমপ্লাই করা। দুই. আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন ও আর্থিক সম্পদ বৃদ্ধি নিশ্চিত করা। তিন. প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের কমপ্লায়েন্স কমপ্লাই করে লক্ষ্য বাস্তবায়নসহ টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

শেয়ার বিজ: পেশা হিসেবে সিএফওকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

সুভাষ চন্দ্র দাস: পেশা হিসেবে অনেক আকর্ষণীয় ও চ্যালেঞ্জিং। প্রতিষ্ঠানে ফাইন্যান্স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। একই সঙ্গে অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানে সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। দিন দিন ব্যবসার পরিধি যত সম্প্রসারিত হচ্ছে, ঠিক তেমনি জটিল জটিল ফাইন্যান্সিয়াল রি-ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফাইন্যান্সিয়াল ডিরাইভেটিভস উদ্ভাবিত হচ্ছে ও ব্যবহারে আসছে। এসব ফাইন্যান্সিয়াল প্রোডাক্ট ও ডিরাইভেটিভস ভালো বোঝা ও কাজে লাগানো এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঝুঁকিগুলোর জন্য পেশাজীবীদের বিশ্বব্যাপী যেমন ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, তেমনি তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাছাড়া আমার মনে হয়, পেশাটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে কাজ করার পূর্বপ্রস্তুতিমূলক অবস্থানও।

 শেয়ার বিজ: যারা পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের উদ্দেশে আপনার পরামর্শ

সুভাষ চন্দ্র দাস: যারা এ পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের সাধুবাদ জানাই। সিএফও বা ফাইন্যান্স সেক্টরে কাজ করা অনেকটা যন্ত্রের মতো। তাকে সামাজিকতার পাশাপাশি পেশাজীবী মনোভাবসহ ন্যায়পরায়ণতা মেনে চলতে হয়। এখানে অনিয়ম করার যেমন সুযোগ আছে, তেমনি নিয়ম প্রতিষ্ঠা করারও সুযোগ রয়েছে। কেউ নিজের, সমাজের ও দেশের জন্য কাজ করতে চাইলে এখানে তিনি ভালো করার অবিরত সুযোগ পাবেন।

শেয়ার বিজ: সফল সিএফওর কী কী গুণ থাকা জরুরি বলে মনে করেন?

সুভাষ চন্দ্র দাস: সফল হওয়ার জন্য সৎ ও পরিশ্রমী হতে হবে। লক্ষ্য থাকতে হবে। স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা থাকতে হবে। সময়ের সঙ্গে নিজেকে আপডেট রাখার পাশাপাশি সফলদের পরামর্শ ও অনুসৃত পথ অনুসরণ লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।