প্রাকৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে পৃথক পরিবেশ তহবিলের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজার জেলার প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার আগেই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দ্রত প্রত্যাবাসন, পুনর্বণ্টন ও ঘনত্ব হ্রাস করার দাবি জানিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তারা কক্সবাজারের প্রাকৃতিক প্রতিবেশে ইতোমধ্যে ঘটে যাওয়া ক্ষতি পুনরুদ্ধারের জন্য একটি পৃথক পরিবেশ তহবিল গঠনেরও দাবি জানান।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে কোস্ট ট্রাস্ট ও সিসিএনএফ (কক্সবাজার সিএসও এনজিও ফোরাম) যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ও বিসিএএস (বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ) নির্বাহী পরিচালক ড. আতিক রহমান মতামত ব্যক্ত করেন।
কোস্ট ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক বরকত উল্লাহ মারুফ সম্প্রতি কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর রোহিঙ্গা শরণার্থী ঢলের প্রভাব বিষয়ে পরিচালিত গবেষণায় প্রাপ্ত পরিবেশ, পানি, দূষণ ও জনসংখ্যার ভারসাম্যহীনতা বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করেন। এছাড়া কক্সবাজারের ভ‚গর্ভস্থ পানির বিষয়ে পরিচালিত একটি গবেষণার তথ্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কক্সবাজার সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী।
বরকত উল্লাহ মারুফ বলেন, শরণার্থী ক্যাম্পে প্রতিদিন রান্নার জন্য দুই হাজার ২৫০ টন জ্বালানি কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। এ কাঠ জোগাড় করা হচ্ছে পার্শ^বর্তী বন থেকে। এভাবে চললে ২০১৯ সালের মধ্যে উখিয়ার সম্পূর্ণ বন উজাড় হয়ে যাবে।
১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর দৈনন্দিন জীবনযাপনের ফলে উপজেলা দুটির ২১টি খাল ও ছড়া সম্পূর্ণ
দূষিত হয়ে গেছে, যার ওপর কৃষি ও গৃহস্থালি কাজে স্থানীয় মানুষ নির্ভরশীল। এ অবস্থায় আসন্ন
বাজেটে এ অঞ্চলের জন্য পৃথক পরিবেশ তহবিল সময়ের দাবি।