কোম্পানি সংবাদ

‘প্রিপেয়ারিং এ সাসটেইন্যাবিলিটি রিপোর্ট’ শীর্ষক যৌথ কর্মশালা

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভ (জিআরআই) যৌথভাবে গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে ‘প্রিপেয়ারিং এ সাসটেইন্যাবিলিটি রিপোর্ট’ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএসইসি’র কমিশনার অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এমডি কেএএম মাজেদুর রহমান বলেন, জিআরআই প্রতিষ্ঠার পর থেকে মুনাফার দিক থেকে বিশ্বের ৯৩ শতাংশ বৃহত্তর কোম্পানির তিন-চতুর্থাংশ সাসটেইনেবল রিপোর্ট তৈরিতে জিআরআই’র কাঠামো ব্যবহার করে। জিআরআই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী রিপোর্ট ও পরিবেশ রক্ষায় ডিএসই’র তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে সমর্থনের জন্য এবং গভর্ন্যান্স ও স্টেকহোল্ডারদের সম্পর্কের উন্নয়ন, খ্যাতি ও বিশ্বাস বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাজের উন্নয়নের জন্য ডিএসই এরই মধ্যে সাসটেইনেবল রিপোর্টিংয়ের ওপর নির্দেশিকা চালু করেছে এবং সব তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে এটি অনুসরণ করার জন্য স্বাগত জানিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ব্যাপকভাবে সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও পরিবেশের দৃঢ়তার ওপর জোর দিয়েছে। পরিবেশ মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে শর্তারোপ করেছে যে, মোট বিদ্যুতের কমপক্ষে পাঁচ শতাংশ সৌরশক্তির মাধ্যমে উৎপাদন করতে হবে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, ডিএসই সাসটেইনেবল রিপোর্টিং নির্দেশিকার ওপর রেগুলেটরি সংস্থা ও জিআরআই’র সহযোগিতায় এই সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং এই কর্মশালা থেকে সব তালিকাভুক্ত কোম্পানি লাভবান হবে।
ডিএসই’র এমডি আরও জানান, ১০ মাস সময়ের ব্যবধানে তিনটি ওয়ার্কশপ হবে এবং এটি প্রথম কর্মশালা।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বিএসইসি’র কমিশনার অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ গবেষকরা তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছেন; তা হলো টেকসই খরচ, প্রাকৃতিক মূলধন হিসাব ও ইনপুট-আউটপুট বিশ্লেষণ। সাউথ এশিয়া গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভের পরিচালক ড. অদিতি হালদার বলেন, সাসটেইনেবল রিপোর্ট তৈরি এবং এটি প্রচারে দক্ষতা ও পারদর্শিতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী ১১০টি দেশ জিআরআই স্ট্যান্ডার্ডগুলো নিয়ে কাজ করছে এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের মতো নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো একসঙ্গে কাজ করলে এ কাজগুলো আরও সহজ হয়ে যায়।
জিআরআই হলো একটি আন্তর্জাতিক স্বাধীন সংস্থা, যা ১৯৯৭ সাল থেকে করপোরেট সাসটেইন্যাবিলিটি রিপোর্টিংয়ের ক্ষেত্রে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে আসছে। জিআরআই ব্যবসা, সরকার ও অন্যান্য সংগঠনকে জটিল সাসটেইন্যাবিলিটি ইস্যু, যেমন: জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, দুর্নীতি ও অন্যান্য বিষয়ের ওপর ব্যবসায়ের প্রভাবকে বোঝায় এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে সহায়তা করে। ৯০টির বেশি দেশে এর কয়েক হাজার প্রতিনিধি রয়েছেন। জিআরআই টেকসই রিপোর্টিংয়ের ওপর বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা স্ট্যান্ডার্ডগুলো প্রদান করে। সক্রিয় প্রতিষ্ঠানগুলো ও তাদের স্টেকহোল্ডাররা এই বিষয়গুলোর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়। বিজ্ঞপ্তি

সর্বশেষ..