বছর শেষে মন্দায় চাঙা ‘জেড’ ক্যাটাগরি

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন হয়। সূচক, লেনদেন ও কোম্পানির দরবৃদ্ধি সবকটি নিম্নমুখী প্রবণতায় ছিল। বাজারে বছর শেষের মন্দাবস্থা চলছে। আর এর মধ্যে চাঙা হয়ে উঠছে জেড ক্যাটাগরি। গতকাল দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে শীর্ষ দশে অবস্থান করা দশটি কোম্পানির মধ্যে আটটি ছিল জেড ক্যাটাগরির। আর জেড ক্যাটাগরির হওয়াতে এরা ডিএসইর দরবৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আসেনি। আর দরবৃদ্ধি পাওয়া বাকি দুটো কোম্পানির মধ্যে একটি ছিল মিউচুয়াল ফান্ড ও অপরটি সিমেন্ট খাতের এ ক্যাটাগরির কোম্পানি।

গতকাল দরবৃদ্ধির শীর্ষে অবস্থান করা সমতা লেদারের দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এছাড়া জিল বাংলার দর ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ, মডার্ন ডায়িং আট দশমিক ৬০ শতাংশ, শ্যামপুর সুগার আট দশমিক ৪৬ শতাংশ, জুট স্পিনার্স সাত দশমিক ৭৫ শতাংশ, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ছয় দশমিক ২১ শতাংশ, দুলামিয়া কটনের দর চার দশমিক ৯৭ শতাংশ ও আরামিট সিমেন্টের দর বেড়েছে চার দশমিক ৮৭ শতাংশ। সবকটি ছিল জেড ক্যাটাগরির কোম্পানি। এ ছাড়া এ ক্যাটাগরির প্রিমিয়ার সিমেন্টের দর বেড়েছে চার দশমিক ৯৩ শতাংশ ও সিএপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ডের দর বেড়েছে ছয় দশমিক ১০ শতাংশ। এছাড়া গতকাল জেড ক্যাটাগরির ৬০ শতাংশ শেয়ারের দর ইতিবাচক ছিল। অন্যদিকে গতকাল ডিএসইতে সব মিলিয়ে মাত্র ৩৩ শতাংশ শেয়ারের দর ইতিবাচক ছিল। বর্তমানে দুর্বল কোম্পানির দৌরাত্ম্য চলছে বাজারে।

গতকাল ব্যাংক খাতে মাত্র ৮৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা মোট লেনদেনের ১৬ শতাংশ। গতকাল এ খাতে লেনদেন কমেছে ২৫ কোটি টাকা। এ খাতে মাত্র ১৩ শতাংশ শেয়ারদর ইতিবাচক ছিল। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ৭৫ কোটি টাকা। এ খাতে লেনদেন কমে তিন কোটি টাকার বেশি। গতকাল সবচেয়ে ইতিবাচক ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। এ খাতে লেনদেন হয় ৭৯ কোটি টাকা। এ খাতে লেনদেন বেড়েছে ২৫ কোটি টাকা। এ খাতের স্কয়ার ফার্মার ৩৮ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়ে বাজারে নেতৃত্ব দেয়। এছাড়া ওয়াটা কেমিক্যালের দর ও লেনদেন বেড়েছে। এ দুই কোম্পানি মিলে এ খাতে ৫৯ শতাংশ লেনদেন হয়। এদিন বস্ত্র খাতে লেনদেন কমে সাড়ে ২৭ কোটি টাকা। গতকাল সূচক পতনে বড় ভূমিকা ছিল গ্রামীণফোন, পূবালী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও আইসিবির মতো বড় মূলধনি কোম্পানিগুলোর দরপতন।