প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

বাজার গতিশীল করতে মূল ভূমিকায় ব্যাংক খাত

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল ইতিবাচক গতিতে লেনদেন হয়েছে। শেয়ার কেনার প্রবণতা দেখা গেছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। শেয়ার কেনার চাপে লেনদেনের শুরু থেকেই সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়, শেষ পর্যন্ত সূচকের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকে। এছাড়া অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধির পাশাপাশি লেনদেন ৪০০ কোটির ঘরে পৌঁছায়। গতকাল বিমা ও আর্থিক খাত ছাড়া বৃহৎ প্রায় সবগুলো খাতেই অধিকাংশ শেয়ারদর ইতিবাচক ছিল। তবে লেনদেনে একক প্রাধান্য ছিল ব্যাংক খাতের। আর ব্যাংক খাতের দর ও লেনদেন বৃদ্ধি বাজারকে গতিশীল করে তোলে।
ব্যাংক খাতে মোট লেনদেনের ২৩ শতাংশ বা ৭৯ কোটি টাকা লেনদেন হওয়ার পাশাপাশি দর বেড়েছে ৭৩ শতাংশ কোম্পানির। ব্র্যাক ব্যাংকের সোয়া ১১ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে দুই টাকা ১০ পয়সা। প্রিমিয়ার ব্যাংকের ১১ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ১০ পয়সা। ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের প্রায় ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৬০ পয়সা। উত্তরা ব্যাংকের পৌনে ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। সিটি ব্যাংকের সাত কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে এক টাকা। বিমা খাতে ১৫ শতাংশ লেনদেন হলেও বিক্রির চাপে এ খাতে ৫৭ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের সাড়ে ৯ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে আড়াই টাকা। কোম্পানিটি দরবৃদ্ধিতে পঞ্চম অবস্থানে উঠে আসে। ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রায় ৯ কোটি টাকা লেনদেন হলেও ছয় টাকা দরপতন হয়। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৯০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সাড়ে ১২ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে স্কয়ার ফার্মা। শেয়ারটির দর ছয় টাকা ২০ পয়সা বেড়েছে। সোয়া পাঁচ শতাংশ বেড়ে জেএমআই সিরিঞ্জ দরবৃদ্ধিতে চতুর্থ অবস্থানে উঠে আসে। প্রকৌশল ও জ্বালানি খাতে লেনদেন হয় ৯ শতাংশ করে। প্রকৌশল খাতে ৮৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ইস্টার্ন কেবল্সের সোয়া সাত কোটি টাকা লেনদেন হলেও প্রায় তিন টাকা দরপতনে ছিল। জ্বালানি খাতে ৮৯ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ইউনাইটেড পাওয়ারের সোয়া ১২ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে সাত টাকা ৬০ পয়সা। উল্লেখযোগ্য লেনদেন না হলেও বস্ত্র খাতে ৭১ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সাড়ে ১৬ শতাংশ দর বেড়ে এ খাতের নিউলাইন ক্লোথিংস দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো লেনদেন হয়েছে শেয়ারটির। এছাড়া শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, এমএল ডায়িং দরবৃদ্ধির তালিকায় অবস্থান করে। এছাড়া খাদ্য খাতে ৭৫ শতাংশ, বিবিধ খাতে ৮৩ শতাংশ, টেলিযোগাযোগ, চামড়াশিল্প, সেবা ও আবাসন, কাগজ ও মুদ্রণ, পাট খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল।

ট্যাগ »

সর্বশেষ..