কোম্পানি সংবাদ

বাটা শু ও প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ঋণমান নির্ণয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: চামড়াশিল্প খাতের কোম্পানি বাটা শু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড ও বস্ত্র খাতের কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে যথাক্রমে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি) ও আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফারেটিং) । ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাটা শু কোম্পানি লিমিটেড: কোম্পানিটি রেটিং পেয়েছে ‘এএএ’। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থান এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।
২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ৮২ টাকা ৩৪ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩০৮ টাকা ৮২ পয়সা। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে ৩৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৬ টাকা ২৪ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৫৯ টাকা ৯৮ পয়সা। যা তার আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ৬০ টাকা ৮০ পয়সা ও ২১৬ টাকা ৭৪ পয়সা।
কোম্পানিটি ১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ২০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৪১০ কোটি ৭৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানির মোট এক কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার রয়েছে।
প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড: কোম্পানিটি দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি১’ পেয়েছে। ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ৪ মে ২০১৯ পর্যন্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর ডিএসইতে এক দশমিক ৪৬ শতাংশ বা ৯০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৬০ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৬১ টাকা ৫০ পয়সা। দিনজুড়ে এক লাখ ৫৪ হাজার ৮০টি শেয়ার মোট ১৫৬ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৯৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৬০ টাকা ৬০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৬১ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৪১ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৭৫ টাকায় হাতবদল হয়।
কোম্পানিটি ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ২০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৩৫ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৭৯ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানির মোট ১৩ কোটি ৫৪ লাখ ৯৯ হাজার ৮২৯ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৬০ দশমিক ৭৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ, বিদেশি তিন দশমিক ৫১ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ২৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ শেয়ার।

 

সর্বশেষ..