বিডিংয়ের অনুমোদন পেলো আমান কটন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিডিংয়ের অনুমতি পেয়েছে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করার অপেক্ষায় ‘আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেড’। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬১১তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

জানা গেছে, এ কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহ করা অর্থের একটি অংশ দিয়ে কারখানায় আধুনিক মেশিনারি স্থাপন করা হবে। এতে ব্যয় হবে ৪৯ কোটি ৩৭ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।

আইপিও’র মাধ্যমে উত্তোলিত অবশিষ্ট অর্থ থেকে ১৭ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে ঋণ পরিশোধে। চলতি মূলধন হিসাবে ব্যয় করা হবে ১০ কোটি টাকা। আর আইপিও’তে ব্যয় হবে সাড়ে তিন কোটি টাকা। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আইপিও’তে শেয়ারের বিক্রয়মূল্য নির্ধারিত হবে। আর এর ওপর নির্ভর করবে আইপিও’তে কোম্পানি কতগুলো শেয়ার ইস্যু করবে।

আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেড মূলত সুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি কটন, পলিস্টার, সিল্কসহ অন্য ফাইবার উৎপাদন করে।

পুঁজিবাজারে আসতে ইচ্ছুক কোম্পানিটি জুলাই ২০১৫ থেকে মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি আয় করেছে দুই টাকা ৪৬ পয়সা, যা এর আগের বছর ছিল দুই টাকা ৪২ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে তিন টাকা ২১ পয়সা। আলোচ্য বছরে শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য ছিল ৩১ টাকা ৮৯ পয়সা। আর কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ২৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেডকে আইপিওতে আনতে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর ইস্যু রেজিস্টারের দায়িত্বে আছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

এদিকে গতকালের সভায় আর্থিক খাতের ‘ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড’কে ২০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়ার অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি। জানা গেছে, বন্ডটির নাম হবে ‘ফনিক্স ফাইন্যান্স নন-কনভার্টেবল রিডিমেবল ফ্লোট কুপন বিয়ারিং সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড’। এর মেয়াদ হবে সাত বছর। আর এর রেট হবে ছয় মাসের এফডিআরের সঙ্গে তিন শতাংশ যোগ করে। তবে এটি সর্বনি¤œ সাড়ে সাত শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১০ শতাংশ পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটাগরির এই কোম্পানিটি ২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছর শেষে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে।

কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩৫ দশমিক ৭১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকের কাছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে দুই দশমিক ৩২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ শেয়ার।

 

0