বিনিয়োগকারীদের জন্য সবই করব: বিএসইসি চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে যা যা করার দরকার তার সবই করব। দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কোনোভাবেই বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া হবে না। এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন।

মসলিন ক্যাপিটাল এবং পুঁজিবাজার সাংবাদিকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরামের (সিএমজেএফ) যৌথভাবে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের হোটেল লা ভিঞ্চিতে পুঁজিবাজার সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণ এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পুঁজিবাজারের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খায়রুল হোসেন বলেন, বিএসইসি বিগত কয়েক বছরে পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল ও আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করতে অনেক আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীসহ স্টেকহোল্ডাররা স্বার্থ রক্ষা সুদৃঢ় হয়েছে।

তিনি বলেন, আমার এই সাত বছরের দায়িত্ব পালনকালে চেষ্টা করেছি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে। কোনোভাবেই বিনিয়োগকারী এবং স্টেকহোল্ডারদের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া হবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল নিয়ে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজার বিকাশে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অন্যতম একটি প্রডাক্ট। এর মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তাদের আইডিয়াকে বাস্তবে রূপদান করা সম্ভব। আমেরিকায় ফেসবুক, জেরক্স, ইনটেলের মতো কোম্পানি খ্যাতি অর্জন করেছে এই ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মাধ্যমে। বাংলাদেশে এই ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রাইভেট ইকুইটি এবং ইমপ্যাক্ট ফান্ড নিয়ে অনেক কাজ শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজার অনেক এগিয়ে যাবে।

মসলিন ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালি-উল-মারূফ মতিন অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এ সময় তিনি চতুর্থ প্রজন্মের ব্যবসা সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন। ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মাধ্যমে ব্যবসা করে সফল কোম্পানিগুলোর ধারণা তুলে ধরেন।

এ সময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরামের (সিএমজেএফ) সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের বিনিয়োগ নিরাপদ রাখতে সাংবাদিকদের পেশাগত জ্ঞান অর্জন জরুরি। আমাদের বাজার এখন আন্তর্জাতিক মানে চলে যাচ্ছে। এখানে বিদেশি কৌশলগত বিনিয়োগ আসছে। তাই পুঁজিবাজার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ পেশাগত দায়িত্ব পালনে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।