বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ মাথায় রেখে লভ্যাংশ ঘোষণা জরুরি

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজার নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। আবার অনেকেই খুশি। গত এক মাসে যারা ঠিক সময়ে বাজার থেকে বের হতে পেরেছেন তারা বেজায় খুশি। তারা এখন কম দামে শেয়ার কিনে ভালো লাভ করছেন। তবে যারা চলতি মাসের বড় পতনে আতঙ্কিত হয়ে বাজার থেকে বের হয়ে গেছেন, তারা আছেন বেশ দুশ্চিন্তায়। আরেক পক্ষ আছেন যারা ব্যাংকের শেয়ার বেশি দামে কিনে ঝিম মেরে বসেছিলেন। তাদের কষ্টের শেষ নেই। তবে পরিকল্পনা করে যারা বাজারে কেনাবেচা করেছেন, তাদের কোনো সমস্যা নেই। তারা বেশ মজায় আছেন। কারণ তারা মন্দা বাজারের জন্য অপেক্ষা করেন। গত সপ্তাহে তারা শেয়ার কিনেছেন। এখন প্রতি শেয়ারেই কমবেশি লাভ করছেন।

গতকাল বাজারে লেনদেন হয়েছে ৫০৩ কোটি টাকা। সূচক বেড়েছে ছয় পয়েন্ট। ১৬৭ কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। দর কমেছে ১২৩ কোম্পানির শেয়ারের। ৪৭ কোম্পানির শেয়ার অপরিবর্তিত। গতকাল বাজারে বেশ উত্তেজনা ছিল। বেশ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার বিক্রেতা শূন্য ছিল। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, বেশ কয়েকটি বাজে কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। এটা বাজারের জন্য মোটেই শুভ নয়।

গতকাল বাজারে সূচকের বড় অবদান রেখেছে গ্রামীণফোন। এ কোম্পানির কারণে সূচক ইতিবাচক ছিল। কেবল গ্রামীণফোনের কারণে পাঁচ পয়েন্ট সূচক ইতিবাচক ছিল। এরপর ছিল ব্র্যাক ব্যাংক। কোম্পানিটি বাজারে চার পয়েন্ট অবদান রেখেছে। তবে গতকাল হতাশ করেছে লংকাবাংলা। কোম্পানির সর্বোচ্চ শেয়ার লেনদেন হলেও প্রত্যাশিত লভ্যাংশ না দেওয়ায় হতাশ হয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। গতকাল বাজারে লেনদেনে শীর্ষে ছিল লংকাবাংলা, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, কেয়া কসমেটিক্স, জিপি, মুন্নু সিরামিক্স। এখন ডিভিডেন্ড মৌসুম চলছে। ডিভিডেন্ড ঘোষণা প্রত্যাশিত না হলে বাজারে প্রভাব পড়বে। এটি বিবেচনায় রেখে কোম্পানিগুলো গ্রহণযোগ্য লভ্যাংশ ঘোষণা করলে বাজারের ভিত্তি শক্ত হবে।