বিনিয়োগ উপযোগী অবস্থানে বাজার

রুবাইয়াত রিক্তা: টানা পাঁচ কার্যদিবস পতনের পর অবশেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সূচক। তবে সূচকের উত্থান হলেও লেনদেনে আরও অবনতি হয়েছে।  গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়েছে প্রায় সাত পয়েন্ট। এর মধ্যে টেলিযোগাযোগ খাতের গ্রামীণফোনের দর বেড়েছে চার টাকা ৬০ পয়সা। সূচককে পতনের হাত থেকে বাঁচিয়েছে গ্রামীণফোন। এছাড়া বিএটিবিসি,  স্কয়ার ফার্মা, লাফার্জ সুরমার দরবৃদ্ধিও সূচক ইতিবাচক করতে সহায়তা করছে। নতুন বছরে বাজার ভালো হবেÑপুঁজিবাজারসংশ্লিস্ট সবার এমন প্রত্যাশা থাকলেও এখন পর্যন্ত তার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কারণ বাজার এখন পতনের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। ঘুরে দাঁড়ানোর সময় হয়েছে। যেসব বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে নতুন এসেছেন বা এখনও বাজার সম্পর্কে ভালো ধারণা হয়নি। তারা এ সময় বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কারণ এখন অনেক শেয়ারের দর কম বা বিনিয়োগ উপযোগী অবস্থানে আছে। বিশেষ করে ব্যাংক ও আর্থিক খাত। এসব কোম্পানি সামনে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশের পাশাপাশি লভ্যাংশ ঘোষণা করবে। আর এসব প্রতিষ্ঠানের ভালো লভ্যাংশ ঘোষণার ইতিহাস আছে। কাজেই এ মুহূর্তে শেয়ারদর না বাড়লেও দুশ্চিন্তার কারণ নেই। কারণ ভালো লভ্যাংশ লাভের সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। কাজ্ইে ভালো কোম্পানি দেখেশুনে বিনিয়োগ করে দু-এক মাস অপেক্ষা করুন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকালও লেনদেনে নেতৃত্ব দিয়েছে প্রকৌশল খাত। আগের দিনের তুলনায় লেনদেন না বাড়লেও মোট লেনদেনের ২০ শতাংশ হয় প্রকৌশল খাতে। এ খাতের ৪৭ শতাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। এ খাতের বিডি অটোকার গতকালও দরবৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে আসে। ব্যাংক খাতে লেনদেন হয় মোট লেনদেনের ১৮ শতাংশ। ব্যাংক এশিয়া দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। এরপর বস্ত্র এবং ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ করে। বস্ত্র খাতে ৩০ শতাংশ শেয়ারের দর ইতিবাচক ছিল। মতিন স্পিনিং মিল ও এপেক্স স্পিনিং দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে। ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৫৪ শতাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। এ খাতের গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল দরবৃদ্ধির শীর্ষ দুইয়ে অবস্থান করে। লেনদেনে নেতৃত্ব দেওয়া স্কয়ার ফার্মার প্রায় ২৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। ইফাদ অটোসের ২০ কোটি টাকার, প্যারামাউন্ট টেক্স ১৩ কোটি টাকার, আমরা নেট ১২ কোটি, ন্যাশনাল টিউবসের ১০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।