দুরে কোথাও

বিমানবন্দরে কিনতে নেই যেসব খাবার

বিমানবন্দরে পছন্দমতো খাবার কেনার সুযোগ তুলনামূলক কম। কেননা এখানের সব খাবার স্বাস্থ্যের পক্ষে সহায়ক নয়। তবে একটু বাছবিচার করে চললে বিমানবন্দরে স্বাস্থ্যকর খাবার কিনতে পারেন আপনিও।
নরম প্রিটজেল: চমৎকার খাবার প্রিটজেল। তবে নরম প্রিটজেল আদর্শ খাবার নয়, এমনই বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার ডায়েটেশিয়ান মারজোরি নোলান কোন। তাই প্রলুদ্ধকর হলেও প্রিটজেলের ওপরে থাকা তৈলাক্ত উপাদান হজমে সমস্যা করে। এ কারণে খাবারটি কিনতে নিষেধ করেছেন নোলান কোন। আকাশপথের দীর্ঘযাত্রায় খাবারটি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন নোলান। এর পরিবর্তে প্রোটিন ও আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার কথা বলেছেন তিনি। এসব খাবার বাড়ি থেকে নিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছেন।
পারফেইট: মজাদার খাবার ইয়োগার্ট পারফেইট। তৃপ্তিদায়কও বটে। তবে উড়োজাহাজে চড়ার আগে ফল কিংবা দইয়ের পারফেইট খাওয়া উচিত নয় বলে জানিয়েছেন নোলান কোন। বরং আমরা যে দই খাই তা বাড়ি থেকে নিয়ে আসতে পারেন।
কফি: অপেক্ষারত অবস্থায় সস্তা ও কম ক্যালোরিযুক্ত কফি খেলে সময়টি বেশ কেটে যায়। তবে কফিতে থাকা ক্যাফেইন স্নায়ুকে উত্তেজিত করে তোলে। ফলে স্বস্তিকর হয় না আকাশপথে ভ্রমণ। তাই বিমানবন্দরে কফি এড়িয়ে হারবাল চা পানের পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।
গ্রানোলা বার: এ খাবারটি অতিরিক্ত চিনি দিয়ে প্যাকেটজাত করা হয়। একই সঙ্গে নানা ধরনের অস্বাস্থ্যকর উপকরণ দিয়ে মোড়ানো হয়। তবে দেখতে চমৎকার ও সহজে বহন করা যায় বলে অনেকে বিমানবন্দরে গ্রানোলা বার কিনে থাকেন। সুস্বাস্থ্য বিবেচনায় এটি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।
পানির বোতল: যেসব ব্যক্তি নিয়মিত উড়োজাহাজে ভ্রমণ করেন তারা বাড়ি অথবা বিমানবন্দরে প্রবেশের আগে পানি কিনে সঙ্গে রাখেন। বিমানবন্দরে বোতলজাত পানির দাম বেশি। এর বিশুদ্ধতা নিয়েও দ্বিমত রয়েছে। এমন পর্যটকদের অনুসরণ করতে পারেন আপনিও।
স্যান্ডউইচ: বিমানবন্দরের প্রায় সব ক্যাফেতে ডিসপ্লে করা থাকে স্যান্ডউইচ। তবে কতদিন ধরে তা সাজানো রয়েছে তা জানার উপায় নেই। কাজেই সব ধরনের স্যান্ডউইচ বিশেষ করে ডাবলডেকার স্যান্ডউইচ না কেনা শ্রেয়। যদি তিন স্তরবিশিষ্ট স্যান্ডউইচ হয়, তবে এর মাংস ও ব্রেডের বিষয়ে আরও সতর্ক হতে হবে। কেননা ব্রেডটি কতদিনের পুরোনো তা জানা সম্ভব নয়। এ ধরনের খাবার কেনা থেকে তাই বিরত থাকতে হবে।
পিজা: সাধারণত বিমানবন্দরে রেস্তোরাঁয় সারাদিন সাজানো থাকে পিজা। এমন খাবারের প্রতি আকর্ষণ না থাকাই ভালো। এসব খাবারের দোকানে সঠিক তাপমাত্রায় পিজা সংরক্ষণ করা হয় কি না তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তাই বিমানবন্দরের পিজা কেনা থেকে নিজেকে সংবরণ করতে হবে।
সালাদ: তাজা খাবার বিশেষ করে সালাদের প্রতি আকর্ষণ রয়েছে অনেকের। তবে বিমানবন্দরের সালাদ কখনও কেনা উচিত নয়। কেননা এয়ারপোর্ট টার্মিনালে প্রতিদিন টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল আসে না। অর্থাৎ বাসি হয়ে থাকে সালাদ। ফলে এতে জমে ব্যাকটেরিয়া। উপরন্তু সালাদের ওপর অনেক সময় ক্রিম দেওয়া থাকে। এতে অতিরিক্ত ক্যালোরি তৈরি হয় যা দেহের পক্ষে সহায়ক নয়। দীর্ঘ ভ্রমণে তো নয়ই। রিডার্স ডাইজেস্ট অবলম্বনে রতন কুমার দাস

সর্বশেষ..