বিশ্বকাপের প্রভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে রাশিয়ার অর্থনীতি

কাজী সালমা সুলতানা: বিশাল সমারোহে চার বছর অন্তর ফিরে আসে ফুটবল বিশ্বকাপ। উত্তেজনায় ভরপুর এ খেলায় গোটা পৃথিবী মেতে ওঠে। দেশে দেশে সমর্থক দলের জার্সি আর পতাকার বাহারি রঙে আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে বাংলাদেশে উম্মাদনা যেন একটু বেশিই। রাজধানীসহ গোটা দেশে বাড়িতে বাড়িতে সমর্থক দেশের পতাকা উড়ে দৃষ্টিকটুভাবে। মনে হয় যেন বাংলাদেশের মধ্যে বিদেশ। আবালবৃদ্ধবনিতা, কুলি, মজুর, রিকশাওয়ালা; অফিসের বড় কর্তা থেকে ব্যবসায়ী সবার গায়ে শোভা পায় পছন্দের দলের জার্সি। তারকা খেলোয়াড়দের নাম ও নম্বর লেখা জার্সি গায়ে দিয়ে ঘুরে বেড়ান অনেকেই। খেলার সময় হলে তো কোনো কথাই নেই। আহার-বিহার বা অতি জরুরি কাজটিও হয়ে যায় অপ্রয়োজনীয়। এমন উম্মাদনার মাঝে দুর্ঘটনার খবরও আসে। পছন্দের দল হেরে যাওয়ায় হৃদক্রিয়া বন্ধ হয় অনেকেরই। এবারের বিশ্বকাপেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
তবে এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটে গেছে ইতোমধ্যে। বাংলাদেশের ফুটবলপাগল মানুষ অধিকাংশই ব্রাজিল অথবা আর্জেন্টিনার সমর্থক। এরপর কিছু আছে যারা ইউরোপের কোনো কোনো দেশের সমর্থক। দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনা বিদায় নেয়, তারপর কোয়ার্টার ফাইনালে এসে ব্রাজিল। বাংলাদেশের কোটি কোটি সমর্থকদের হৃদয় ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। বিশ্বকাপ উম্মাদনায় ভাটা পড়েছে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে। বাড়ির ছাদ থেকে অনেকে নামাতে শুরু করেছেন ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকা। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে চেপে বুক ফুলিয়ে আর হাঁটা হয় না অনেকেরই। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ঝগড়া-বিবাদও গেছে থেমে। এত শীতলতার পরও চূড়ান্ত খেলা দেখবে দেশের ফুটবলভক্তরা, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
কত টাকার জার্সি বিক্রি হলো বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে? পতাকা বিক্রি হলো কত টাকার? বিশ্বকাপ খেলা ভালোভাবে উপভোগ করতে নতুন টেলিভিশন বেচা-কেনা বেড়েছে কী? মহল্লার ফাঁকা স্থানে বড় পর্দায় কি খেলা দেখেনি দল বেঁধে? তৈরি পোশাক কারখানাগুলো কোন কোন দেশের জার্সি বানানোর অর্ডার পেয়েছিল? বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলুক আর নাই খেলুক, এমন সব প্রশ্ন তো জাগতেই পারে। এমন প্রশ্নের পেছনেই লুকিয়ে রয়েছে অর্থনীতি। বিশ্বকাপ ফুটবল কি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলেছে? বিশ্ব উম্মাদনার মাঝে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাবের বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব বহন করে। হয়তো গোটা হিসাব করা কঠিন, যা কিছু হিসাব হবে তা অনুমাননির্ভর। তবে বিকেএমইএ’র তথ্য মতে, বাংলাদেশ এবার বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের জার্সি ও খেলার কিট রফতানি করেছে।
বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে বাংলাদেশের অর্থনীতির হিসাব যেমনই হোক না কেন, এ প্রতিযোগিতাকে ঘিরে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি জড়িত। বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে রাশিয়ার অর্থনীতি চাঙা করার পরিকল্পনা রয়েছে। সে পরিকল্পনা কতটুকু সফল হয়, সেটাই দেখার বিষয়। তবে বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুন আঙ্গিকে সেজেছে আয়োজক দেশ রাশিয়া। এক জরিপের বরাত দিয়ে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলে বলেছে, বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে মোট খরচ হচ্ছে এক হাজার ১৮০ কোটি ডলার। তবে কিছু ব্যয়বহুল অবকাঠামোর হিসাব বাদ পড়েছে এখানে। এ উপলক্ষে রাশিয়ায় দুই লাখ ২০ হাজার লোকের নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণ, পুরোনো স্টেডিয়াম সংস্কার, আবাসিক ব্যবস্থা গড়ে তোলাসহ বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করতে হয়েছে রাশিয়াকে। ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল আসর বসেছে রাশিয়ায়। ১০ লাখেরও বেশি ফুটবলপ্রেমী বিদেশি নাগরিক এখন রাশিয়ায়। ৩২টি টিমের খেলা আয়োজনে সাজিয়ে তোলা হয়েছে দেশটির ১১টি শহর। এ শহরগুলোর মধ্যে এমনও শহর রয়েছে, সারা বছর তাদের যা আয় হয়, বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে এক মাসেই সেই পরিমাণ অর্থ আয় করার ইচ্ছে রয়েছে।
বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার প্রভাব রাশিয়ার অর্থনীতিতে পড়তে শুরু করেছে। দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঊর্ধ্বমুখী। গত দুই বছর অর্থনীতি নিম্নমুখী থাকার পর পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ও তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও দেশটির অর্থনীতি বিশ্বকাপের জন্য গত বছর দেড় শতাংশ হারে বেড়েছে। মার্কিন রেটিং সংস্থা মুডিসের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে অর্থনৈতিকভাবে এক ধাপ এগোবে রাশিয়া। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিনিয়োগ করা সব খাতে পড়েছে ইতিবাচক প্রভাব। হোটেল, খাদ্য, পরিবহন এবং পর্যটন ব্যবসায় গতি এসেছে। ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন করে সাজানো হয়েছে একাধিক বিমানবন্দর। মানও বেড়েছে যাত্রী পরিষেবার। এছাড়া বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার জেরে ২০১৩ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এক দশকে রাশিয়ার জিডিপি থাকবে দুই হাজার ৬০০ কোটি থেকে তিন হাজার ৮০ কোটি ডলারের মধ্যে। রাশিয়ার অর্থনীতিতে টানা ১০ বছর বাড়তি গতি সৃষ্টি করবে এবারের বিশ্বকাপ। এমনকি বিশ্বকাপ ফুটবল রুশদের অতিরিক্ত ব্যায়াম করতে উদ্বুদ্ধ করবে, মানুষ কম অসুস্থ হবে এমন পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে!
বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিভিন্ন শপিংমলে চলছে বিশেষ ছাড়। লোভনীয় সব প্রস্তাবে নিমিষেই শেষ হয়ে যাচ্ছে সব পণ্য। সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের পদচারণায় উৎসবের নগরী এখন মস্কো। খেলার সূচি শেষ দিকে চলে এলেও পর্যটকদের পদভারে মুখর দেশটির ১১টি ভেন্যু। লাখ লাখ সমর্থকের চাপ সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে এক সময়ের কমিউনিস্ট দেশের হোটেল মালিকদের। পর্যটকদের আনাগোনায় বিনিয়োগের তিনগুণ পকেটে পুরেছেন ব্যবসায়ীরা। সরকারি-বেসরকারি ও বৈদেশিক খাতে অর্থের প্রবাহ বেড়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়ছে স্থবির হয়ে পড়া কর্মসংস্থানের হার। অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে আসর শেষ হওয়ার পর এই কর্মসংস্থান সামান্য কমলেও পরে আবার বেড়ে যাবে বলে অর্থনীতিবিদদের ধারণা। বিদেশি পর্যটকটদের আগমন, পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৩ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রুশ অর্থনীতিতে বিশ্বকাপের প্রভাবে ৮৬ হাজার ৭০০ কোটি রুবল বা এক হাজার ৪০০ কোটি ডলার অতিরিক্ত জোগান আসবে। এই সময়ে নতুন করে দুই লাখ ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর মধ্যে বেশিরভাগের কর্মসংস্থান ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। অবকাঠামোগত সুবিধাগুলো পুরোপুরি চালু হলে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়বে। প্রতি বছর (২০১৩-২০২০) জিডিপির ওপর গড় প্রভাব ২৪০ কোটি থেকে ৩৩৬ কোটি ডলার হবে। আর বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে যে কর্মযজ্ঞ চলেছে এবং চলমান রয়েছে, তাতে কেন্দ্রীয় সরকার ও আঞ্চলিক সরকারগুলো অতিরিক্ত কর আদায় করছে তার অঙ্কটাও নেহাত খাটো নয়। গত পাঁচবছরে বিবেচনায় চলতি বছরের শেষে এই অতিরিক্ত করের প্রকৃত আদায় দাঁড়াবে ২৪০ কোটি ডলার।
২০১০ সালেই বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হওয়ার টিকিট পেয়েছিল রাশিয়া। ওই সময় দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেশ শক্তিশালী ছিল। টেকসই উন্নয়নের হার ছিল বছরে চার শতাংশ। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি মন্দার কবলে পড়ে। ২০০০ সালে তাদের মূল্যস্ফীতির হার ২০ শতাংশে উঠে গিয়েছিল। ডিজিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ঋণাত্মক। ২০১০ সালে সবকিছু ইতিবাচক ধারায় ফিরলেও আবার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। গত বছর তাদের মূল্যস্ফীতির হার ছিল সাত দশমিক এক শতাংশ। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল এক দশমিক পাঁচ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় দক্ষ জনবল তৈরির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। রাশিয়ার সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী আরকাজি দুভরকাভিচ তো বলেই দিয়েছেন, দেশটির যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে তার সবই বিশ্বকাপের অবদান! এদিকে রুশ সরকার মনে করছে, এ উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী তাদের যে প্রচার হচ্ছে এই কারণে অর্থনীতি অনেক দূর এগিয়ে যাবে। ২০১৩ সাল থেকে তারা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। এ সময় থেকেই তাদের প্রবৃদ্ধি হার ইতিবাচক ধারায় ফিরে আসে। বিশ্বকাপ আসরের আয়োজনে ইতোমধ্যে চাঙা হতে শুরু করেছে দেশটির অর্থনীতি।
রুশ সরকার বলছে, আসন্ন বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট দেশটির অর্থনীতিকে উজ্জীবিত করবে। এ প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মন্দা পুষিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের। সেভাবে প্রস্তুতিও নিয়েছেন তিনি। পর্যটক আকর্ষণ, স্টেডিয়াম সংস্কার, শহরের সৌন্দর্যবর্ধন ও নিরাপত্তা খাতের উন্নয়নে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে রাশিয়া। ভিসা ছাড়া ভ্রমণ সুবিধাও দেওয়া হয় বিদেশিদের। অর্থনীতিকে চাঙা করার কৌশলে সফলতা পেতে যাচ্ছেন পুতিন। উন্নয়নে ব্যয় হওয়া অর্থের পাশাপাশি ২০১৫ সালে ক্ষতির অর্থও জমা পড়তে শুরু করেছে সরকারের কোষাগারে।
বিশ্বকাপের রাশিয়া আসরে অংশ নেওয়া দলগুলোর অধিকাংশই ফিরেছে নিজ দেশে। ফিরে যাচ্ছেন সমর্থকরাও। তবে অবদান রেখে যাচ্ছেন রাশিয়ার অর্থনীতিতে। এক মাসেরও কম সময়ে চাঙা হয়েছে ২০১৫ সালের পর ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি। রেটিং এজেন্সি মোডির প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশ্বকাপ উপলক্ষে রাশিয়ার পর্যটনশিল্প বেশ সম্প্রসারণ হয়েছে। অভ্যন্তরীণ বাজারেও দারুণ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। প্রতিটি শহরে দৈনিক বিক্রি বেড়েছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৩০০ গুণের বেশি। বিশ্বকাপের মাধ্যমে স্থায়ী অর্থনৈতিক বিকাশের পরিকল্পনা ছিল প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমিরর পুতিনের। মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটির ক্রীড়া ব্যবস্থাপক ভ্লাদিমির অ্যাগেইভ বলেন, ‘বিশ্বকাপের মতো আয়োজন নিঃসন্দেহে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত শুধু মস্কোতে এক হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের বাণিজ্য হয়েছে। এটি আরও বাড়বে। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার কিছুদিন পরও দারুণ ব্যবসা করবে স্থানীয়রা। তবে বিশ্লেষকরা জানান, বিশ্বকাপ আয়োজনের মাধ্যমে যে আয় হয়েছে, তা দিয়ে ২০১৫ সালের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব। তবে সার্বিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। মার্কিন-নেতৃত্বাধীন পাশ্চাত্য বিশ্ব যখন বিভিন্ন ইস্যুতে রাশিয়াকে কোণঠাসা করার চেষ্টা চালাচ্ছে, আবার রাশিয়া যখন তার হারানো গৌরব ফিরে পাওয়ার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এ সন্ধিক্ষণেই দেশটিতে হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়ানুষ্ঠানটি। রাশিয়া যে আবার সোভিয়েত আমলের প্রভাব সৃষ্টি করতে যাচ্ছে বিশ্বজুড়ে, বিশ্বকাপ আয়োজনের কৃতিত্ব লাভ তারই একটি আলামত। ভ্লাদিমির পুতিনের মাধ্যমে দেশে এবং সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেকে ও তার দেশকে তুলে ধরার কাজটি চালিয়ে যাচ্ছেন।
জাঁকজমক আয়োজন করে লাভবান হওয়ার ইতিহাস রাশিয়ার সাম্প্রতিক অতীতেও আছে। এই ২০১৪ সালের সোচিতে অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিক গেমসে রাশিয়া ৫০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে চমক দেখিয়েছিল। বিশ্বকাপ আয়োজনের মাধ্যমে এর চেয়েও বেশি লাভবান হবে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

গণমাধ্যমকর্মী
salma15augustÑgmail.com