‘বি’ ক্যাটাগরিতে পেনিনসুলা চিটাগং

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘এ’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত হলো দ্যা পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।

সূত্রমতে, কোম্পানিটি ২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে পাঁচ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। তাই ‘এ’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে অবনতি হলো। ‘বি’ ক্যাটাগরির অধীনে আগামী রোববার থেকে শুরু হবে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন।

এদিকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) জারি করা নিয়ম অনুযায়ী স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটির ক্যাটাগরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পরিবর্তিত ক্যাটাগরিতে ওই সিকিউরিটি ক্রয়ের জন্য মার্জিন ঋণ প্রদানে নিষেধাজ্ঞা জানিয়েছে। ক্যাটাগরি পরিবর্তনের প্রথম ৩০ দিন এই ঋণ দেওয়া যাবে না। তাই রোববার থেকে পরবর্তী ৩০ দিন পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি পাঁচ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৩ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৩০ টাকা ৬৮ পয়সা।

গতকাল শেয়ারদর দশমিক ৮১ শতাংশ বা ২০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ২৪ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২৪ টাকা ৪০ পয়সা। দিনজুড়ে চার লাখ চার হাজার ৩১৯টি শেয়ার মোট ৩৬২ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৯৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২৪ টাকা ২০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ২০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৪২ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১৮ কোটি ৬৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। কোম্পানির ১১ কোটি ৮৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮০০টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ, বিদেশি শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৪৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার।